(সমন্বয়) নবম-দশম শ্রেনী : জীববিজ্ঞান ১০ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন-উত্তর

সমন্বয় হচ্ছে নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞানের ১০ম অধ্যায়। সমন্বয় অধ্যায় থেকে সেরা বাছাইকৃত ৭টি সৃজনশীল প্রশ্ন এবং সে প্রশ্নগুলোর উত্তর সম্পর্কে আলোচনা করা হলো-

সৃজনশীল প্রশ্ন ১ : A teacher was conducting a class on light. He was using multimedia projector to make his students understand. The students were watching, listening, thinking, storing in memories about the lesson. They were asking questions to their teacher.

A. Define coordination.
B. What do you mean by hormone and enzyme?
C. Which sensory organs of students were involved while taking lesson? Describe the structure of the organ of thinking & storing memories.
D. Compare the structure & function of the system mentioned above with that of respiratory system.

অনুবাদ : শিক্ষক আলোর উপরে একটি ক্লাস নিচ্ছিলেন। সে ছাত্রদের বোঝানোর জন্য মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ব্যবহার করেছিলেন। ছাত্ররা পড়া দেখছিল, শুনছিল, চিন্তা করছিল এবং স্বরণ করছিল। তারা শিক্ষককে প্রশ্ন জিজ্ঞেস করছিল।

ক. সমন্বয়ের সংজ্ঞা দাও।
খ. হরমোন এবং এনজাইম বলতে কী বোঝ?
গ. ছাত্ররা যখন পড়াশোনা করছিল তখন কোন সংবেদী অঙ্গটি কাজ করে? চিন্তা করা ও স্মৃতি ধারণকারী অঙ্গাণুটির গঠন বর্ণনা কর।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গাণুটির গঠন ও কাজের সাথে শ্বসনতন্ত্রের তুলনা করো।

সমাধান : ক. প্রতিটি জীবকোষে বিভিন্ন শরীরবৃত্তীয় কার্যক্রম একযোগে প্রতিনিয়ত চলতে থাকে। এ কাজগুলো একটি নিয়মশৃঙ্খলার মাধ্যমে সংঘটিত হয়, আর এ কাজটিই হচ্ছে সমন্বয়।

খ. নালিবিহীন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত রসকে হরমোন বলে। বিজ্ঞানীদের মতে, যে রাসায়নিক বস্তু কোষে উৎপন্ন হয়ে উৎপত্তিস্থল থেকে বাহিত হয়ে দূরবর্তী স্থানের কোষ বা কোষপুঞ্জের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে তাই হরমোন। যেসব রাসায়নিক যৌগ বিভিন্ন জৈবিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে বিক্রিয়ার হারকে ত্বরান্বিত করে এবং বিক্রিয়ার শেষে নিজেরা অপরিবর্তিত থাকে সেসব রাসায়নিক যৌগকে এনজাইম বলে।

গ. সংবেদী অঙ্গটি নিউরন। নিউরন চিন্তাশক্তি ও স্মৃতিধারণ কাজে নিয়োজিত অঙ্গাণু। এটির গঠন নিচে দেওয়া হলো :
প্রতিটি নিউরন দুটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত। যথা : (ক) কোষদেহ এবং (খ) প্রলম্বিত অংশ।
কোষদেহ : প্লাজমামেমব্রেন, সাইটোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াস সমন্বয়ে গঠিত নিউরনের গোলাকার, তারকাকার অথবা ডিম্বাকার অংশ কোষদেহ নামে পরিচিত। সাইটোপ্লাজমে মাইটোকন্ড্রিয়া, গলজি বস্তু, লাইসোজোম, চর্বি, গ্লাইকোজেন, রঞ্জক কণাসহ অসংখ্য নিসল দানা থাকে।

প্রলম্বিত অংশ : কোষদেহ থেকে সৃষ্ট শাখা-প্রশাখাকে প্রলম্বিত অংশ বলে। এ অংশ দু’ধরনের। যথা :
১. ডেনড্রাইট : ডেনড্রাইট হচ্ছে কোষদেহের চারদিকের শাখাযুক্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রলম্বিত অংশ।
২. অ্যাক্সন : কোষদেহ থেকে উৎপন্ন বেশ লম্বা শাখাহীন তন্তুটির নাম অ্যাক্সন। এর চারদিকে পাতলা আবরণটিকে নিউরিলেমা বলে। নিউরিলেমা পরিবেষ্টিত অ্যাক্সনকে স্নায়ুতন্ত্র বলে। বহু সংখ্যক অ্যাক্সন ও ডেনড্রাইট মিলিত হয়ে স্নায়ু গঠন করে। একে মায়োলিন বলে। এ আবরণীটি অবিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকে। এই বিচ্ছিন্ন অংশে নিউরিলেমার সাথে অ্যাক্সনের প্রত্যক্ষ সংস্পর্শ ঘটে। এই আবরণীবিহীন অংশটি র‍্যানভিয়ার-এর পর্ব নামে পরিচিত। অ্যাক্সনের মূল অক্ষের আবরণীকে অ্যাক্সোলেমা বলে।

ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গানুটি নিউরন। নিউরনের গঠন ও কার্যাবলির সাথে শ্বসনতন্ত্রের তুলনা নিচে দেওয়া হলো-
১. নিউরন দেহের সব ধরনের সংবেদন ও উদ্দীপনা গ্রহণ করে। যেখানে শ্বসনতন্ত্র শ্বাসকার্য পরিচালনা করে।
২. বহুসংখ্যক স্নায়ুকোষ বা নিউরনের সমন্বয়ে স্নায়ুটিস্যু গঠিত। শ্বাসকার্য পরিচালিত অঙ্গানুগুলো একত্রে শ্বাসতন্ত্র গঠন করে।
৩. প্রতিটি নিউরনের দুটি অংশ রয়েছে। যথা- (ক) কোষদেহ ও (খ) প্রলম্বিত অংশ । প্রলম্বিত অংশে রয়েছে, ডেনড্রাইট ও অ্যাক্সন। অপরদিকে শ্বসনতন্ত্র ৭টি অঙ্গাণু যথা— i. নাসারন্জ ও নাসাপথ, ii. গলনালি, iii. স্বরযন্ত্র, iv. শ্বসননালি বা ট্রাকিয়া, v. ব্রংকাস, vi. ফুসফুস ও vii. মধ্যচ্ছদা নিয়ে গঠন করে।
৪. নিউরন উদ্দীপনা গ্রহণ করে। অপরদিকে শ্বসন তন্ত্র শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করে।
৫. নিউরন চিন্তা করা, স্মৃতিধারণ করা প্রভৃতি কাজ করে। অপরদিকে শ্বসনতন্ত্র খাদ্য ও পানীয় গলাধঃকরণে সাহায্যে করে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ২ : পর্যাপ্ত খাবার খাওয়া সত্ত্বেও ইদানীং জহির সাহেবের দেহের ওজন কমে যাচ্ছে, ঘন ঘন প্রস্রাব, অধিক পিপাসা, ক্ষুদা বাড়া এবং ক্ষত স্থান সহজে না শুকানোর কারণে ডাক্তারের পরামর্শে রক্ত ও প্রস্রাব পরীক্ষা শেষে ডাক্তার বললেন— চিকিৎসা দ্বারা এ রোগ একেবারে নিরাময় করা যায় না, তবে রোগটি নিরাময়ের জন্য তিনটি D মেনে চলা অত্যাবশ্যক।

ক. কালার ব্লাইন্ড কী?
খ. স্ট্রোক বলতে কী বোঝায়?
গ. জহির সাহেবের যে রোগ হয়েছে তার কারণ বর্ণনা কর।
ঘ. ডাক্তারের উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ কর ।

সমাধান : ক. কালার ব্লাইন্ড এক ধরনের চোখের রোগ। এ রোগ হলে আক্রান্ত ব্যক্তি সঠিক রং চিনতে পারে না।

খ. মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ কে স্ট্রোক বলা হয়। এটি একটি মারাত্মক ব্যাধি। সাধারণত ধমনিগাত্র শক্ত হয়ে যাওয়া ও উচ্চ রক্তচাপজনিত কারণে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হতে পারে। অনেক সময় অত্যাধিক স্নায়ুবিক চাপ যেমন— উত্তেজনা বা অধিক পরিশ্রমের কারণে এরূপ রক্তক্ষরণ হয়।

গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত উপসর্গ বিবেচনা করে দেখা যায় যে, জহির সাহেব ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত। ডায়াবেটিস হওয়ার কারণ সমন্বয় অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

ঘ. উদ্দীপকে উল্লেখিত রোগটি হলো ‘ডায়াবিটিস’। ডায়াবেটিস সম্পর্কে সমন্বয় অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৩ : দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান ক্লাসে মানব মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ সম্পর্কে সুমাইয়া, বিনতি, নাসরিন, সোনিয়া, সৌমিক, ফারাহ শিক্ষকের কাছে জানতে চায়। শিক্ষক বলেন, মস্তিষ্ক ৩টি অংশে বিভক্ত। ৩টি অংশ আবার বিভিন্ন অংশে বিভক্ত। এসব অংশগুলোর একত্রিত কার্যকারিতায় মানব মস্তিষ্ক সচল থাকে।

ক. অ্যাক্সলেমা কী?
খ. সেরিবেলাম বলতে কী বুঝ?
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত মস্তিষ্কের প্রথম অংশের গঠন বর্ণনা কর।
ঘ. মস্তিষ্ক সচল রাখতে এর সকল অংশগুলোর সমন্বয় প্রয়োজন— বিশ্লেষণ কর।

সমাধান : ক. অ্যাক্সনের মূল অক্ষের আবরণীকে অ্যাক্সলেমা বলে।

খ. পনসের পৃষ্ঠীয় ভাগে অবস্থিত খণ্ডাংশটি সেরিবেলাম। এটি ডান ও বাম দুই অংশে বিভক্ত। এর বাইরের দিকে ধূসর পদার্থের আবরণ ও ভেতরের দিকে শ্বেত পদার্থ থাকে।

গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত মস্তিষ্কের প্রথম অংশটি অগ্র মস্তিষ্ক। অগ্র মস্তিষ্কের গঠন সমন্বয় অধ্যায়ে বর্ণনা করা আছে।

ঘ. মস্তিষ্কের তিনটি অংশ। যথা- ১. অগ্র মস্তিষ্ক, ২. মধ্য মস্তিষ্ক, এবং ৩. পশ্চাৎ মস্তিষ্ক। এ তিনটি অংশ সম্পর্কে আলোচনা করতে হবে, যা সমন্বয় অধ্যায়ে পাওয়া যাবে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৪ : দশম শ্রেণিতে জীববিজ্ঞান শিক্ষক শ্রেণিতে স্নায়ুতন্ত্র ও হরমোন সম্পর্কে পাঠদান করলেন।

ক. এপিলেপসি কী?
খ. ভার্নালাইজেশনের গুরুত্ব লিখ।
গ. উদ্দীপকে শিক্ষকের পাঠদানের প্রথম বিষয়বস্তুর এককের চিত্রসহ কাজ লিখ।
ঘ. উদ্দীপকে শিক্ষকের পাঠদানের দ্বিতীয় বিষয়বস্তুর উদ্ভিদ ও প্রাণীর ক্ষেত্রে কী কী অবদান রাখে বলে তুমি মনে কর।

সমাধান : ক. এপিলেপসি মস্তিষ্কের একটি রোগ। এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীর খিঁচুনি বা কাঁপুনি দিতে পারে, এমনকি রোগী অজ্ঞানও হয়ে যেতে পারে।

খ. ভার্নালাইজেশনের গুরুত্ব নিম্নরূপ-
১. উদ্ভিদের অঙ্কুরিত বীজে ভার্নালাইজেশন করা হলে তাদের ফুল ধারণ সময় এগিয়ে আসে।
২. ভার্নালাইজেশনের মাধ্যমে রূপশাইল ধানে ১৩৩ দিনের পরিবর্তে ৪ দিনে পুষ্প উৎপাদন করা হয়।
৩. শীতের গম গরমকালে লাগিয়ে ভার্নালাইজেশন (২°-৫° উষ্ণতা প্রয়োগ) করলে উদ্ভিদে স্বাভাবিক পুষ্প প্রস্ফুটন ঘটে।
৪. উদ্ভিদের বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করে।

গ. উদ্দীপকে শিক্ষকের পাঠদানের প্রথম বিষয়বস্তু স্নায়ুর একক নিউরন। নিউরনের চিত্রসহ কাজ সমন্বয় অধ্যায়ে বর্ণনা করা আছে।

ঘ. উদ্দীপকে শিক্ষকের পাঠদানের দ্বিতীয় বিষয়বস্তু হচ্ছে হরমোন। হরমোন উদ্ভিদ ও প্রাণীর ক্ষেত্রে যা যা অবদান রাখে তা আলোচনা করতে হবে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৫ : রহিম তার ছোট ভাই করিমকে ঘুম থেকে জাগানোর জন্য তার পায়ে শুড়শুড়ি দিল। সে দেখল ঘুমের মধ্যে করিম তার অজান্তেই পাটি সরিয়ে নিল।

ক. হরমোন কী?
খ. ফটোট্রপিক চলন বলতে কী বুঝ?
গ. করিমের পা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ. করিমের পায়ে উদ্দীপনা সৃষ্টিকারী কলাটি না থাকলে বা ক্ষতিগ্রস্থ হলে কী ধরণের সমস্যা হতে পারে বিশ্লেষণ কর।

সমাধান : ক. হরমোন এক ধরনের জৈব রাসায়নিক পদার্থ।

খ. ফটোট্রপিক চলন এক ধরনের বক্রচলন। উদ্ভিদের কাণ্ড ও শাখা প্রশাখার সবসময় আলোর দিকে চলনকে পজিটিভ ফটোট্রপিজম এবং মূলের আলোর বিপরীত দিকে চলনকে নেগেটিভ ফটোট্রপিজম বলে।

গ. করিমের পা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার কারণ প্রতিবর্তী ক্রিয়া। প্রতিবর্তী ক্রিয়া সম্পর্কে সমন্বয় অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

ঘ. করিমের পায়ে উদ্দীপনা সৃষ্টিকারী কলাটি হলো স্নায়ুকলা। স্নায়ুকলা না থাকলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে যে ধরনের সমস্যা হতে পারে তা সমন্বয় অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

• (রেচন প্রক্রিয়া) নবম-দশম শ্রেনী : জীববিজ্ঞান ৮ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন-উত্তর
• (দৃঢ়তা প্রদান ও চলন) নবম-দশম শ্রেনী : জীববিজ্ঞান ৯ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন-উত্তর

সৃজনশীল প্রশ্ন ৬ : বাগানে কাজ করা অবস্থায় হঠাৎ মি. শফিকের পা কেটে যায়। কিন্তু পা কাটা বেশ কয়েকদিন হয়ে গেলেও এই ক্ষত সহজে শুকাচ্ছে না। ইদানিং বেশ দূর্বলতা অনুভব করেন এবং ঘন ঘন পিপাসা বোধ করেন। এজন্য মি. শফিক ডাক্তারের কাছে গেলে ডাক্তার প্রয়োজনীয় পরামর্শ, দিকনির্দেশনা ও চিকিৎসাপত্র প্রদান করেন।

ক. হরমোন কী?
খ. আইলেটস অফ ল্যাঙ্গারহ্যানস বলতে কী বুঝায়?
গ. শফিক সাহেবের সমস্যাগুলোর কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ. ডাক্তারের দেওয়া কী কী পরামর্শ মেনে চললে শফিক সাহেব তার সমস্যাগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন মতামত দাও।

সমাধান : ক. মানবদেহে ও বিভিন্ন প্রাণীর দেহে একধরনের বিশেষ নালিবিহীন গ্রন্থি থাকে। এসব গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত রস রক্তের মাধ্যমে প্রবাহিত হয়ে দেহের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। নালিবিহীন গ্রন্থি নিঃসৃত এ ধরনের রসকে হরমোন বলে।

খ. আইলেটস্ অফ ল্যাংগারহ্যানস অগ্ন্যাশয়ের মাঝে অবস্থিত একটি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি। এই কোষগুচ্ছ শরীরের শর্করা বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে। এর নালিহীন কোষগুলি ইনসুলিন ও গ্লুকাগন নিঃসরণ করে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত শফিক সাহেবের সমস্যাগুলোর কারণ হলো বহুমূত্র রোগ বা ডায়াবেটিস। এ সম্পর্কে সমন্বয় অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

ঘ. শফিক সাহেবের সমস্যা হলো বহুমূত্র রোগ। এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে যা যা করা প্রয়োজন তা সমন্বয় অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৭ : জীববিজ্ঞানের শিক্ষিকা শ্রেণিকক্ষে উদ্ভিদের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রক পদার্থ অক্সিন, জিবেরেলিন, সাইটোকাইনিন সম্পর্কে আলোচনা করেন এবং উদ্ভিদ জীবনে তাদের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন।

ক.. নিউরন কী?
খ. ফটোট্রপিক চলন বলতে কী বুঝায়?
গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত উদ্ভিদের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রক পদার্থ জিবেরেলিনের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ. উদ্ভিদের নতুন অঙ্গ সৃষ্টির ক্ষেত্রে প্রথম হরমোনটির ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।

সমাধান : ক. নিউরন হচ্ছে স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যিক একক।

খ. ফটোট্রপিক চলন হচ্ছে এক ধরণের বক্র চলন। যা উদ্ভিদের কাণ্ড ও শাখা-প্রশাখার সবসময় আলোর দিকে যায় অর্থাৎ চলন আলোর দিকে এবং মূলের চলন সবসময় আলোর বিপরীত দিকে হয়। যেহেতু কাণ্ড আলোর দিকে যায় তাই এই চলনকে পজিটিভ ফটোট্রপিক চলন বলে এবং মূল আলোর বিপরীত দিকে যায় তাই এই চলনকে নেগেটিভ ফটোট্রপিক চলন বলে।

গ. উদ্দীপকে দ্বিতীয় বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রক পদার্থের নাম জিবেরেলিন। জিবেরেলিনের প্রয়োজনীয়তা সমন্বয় অধ্যায়ে ব্যাখ্যা করা আছে।

ঘ. উদ্দীপকের প্রথম হরমোনটি হলো অক্সিন। উদ্ভিদের নতুন অঙ্গ সৃষ্টির ক্ষেত্রে অক্সিনের ভূমিকা সমন্বয় অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

Leave a comment

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More