(মানবদেহের প্রতিরক্ষা) এইচএসসি : জীববিজ্ঞান সৃজনশীল প্রশ্নোত্তর

মানবদেহের প্রতিরক্ষা হচ্ছে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির জীববিজ্ঞান ২য় পত্রের ১০ম অধ্যায়। মানবদেহের প্রতিরক্ষা অধ্যায় থেকে সেরা বাছাইকৃত ৫টি সৃজনশীল প্রশ্ন এবং সে প্রশ্নগুলোর উত্তর সম্পর্কে আলোচনা করা হলো-

সৃজনশীল প্রশ্ন ১ : মানবদেহে স্বাভাবিক প্রতিরক্ষার মধ্যে আছে ত্বক, শ্বসনতন্ত্রের আবরণী পর্দা। পাকস্থলীর এসিডেও পরিপাকতন্ত্রের উৎসেচক, ফ্যাগোসাইট নামক শ্বেত রক্তকণিকা ও রক্ত এবং কোষরসে বিদ্যমান এন্টিবডিসমূহ। চিকিৎসাবিজ্ঞানে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে কৃত্রিম অন্যক্রম্যতা বলা হয়।

ক. অনাক্রম্যতা কী?
খ. দেহের প্রতিরক্ষায় ত্বকের ভূমিকা লিখ।
গ. খাদ্যদ্রব্যের ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসে পরিপাকনালীর এসিড ও এনজাইমের ভূমিকা মানবদেহের প্রতিরক্ষা অধ্যায়ের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
ঘ. দেহে এন্টিজেনের উপর এন্টিবডি ক্রিয়াশীল তা মানবদেহের প্রতিরক্ষা অধ্যায়ের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

সমাধান : ক. রোগ উৎপাদনকারী জীবাণু ও বিজাতীয় পদার্থের বিরুদ্ধে দেহ যে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলে তাই হলো অনাক্রম্যতা।

খ. দেহের প্রতিরক্ষায় ত্বকের ভূমিকা অপরিসীম। মানবদেহের ত্বক পানি দ্বারা অভেদ্য, জীবাণু দ্বারা অভেদ্য, স্ব-মেরাম ক্ষমতা সম্পন্ন প্রতিবন্ধক যা দেহে জীবাণু ও ময়লা প্রবেশে বাধা দেয়। এমনকি চোখে আবরণ সৃষ্টিকারী ত্বক বা কনজাংটিভা অত্যন্ত পাতলা এবং নমনীয় হলেও প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা সুরক্ষিত থাকে।

গ. খাদ্যদ্রব্যের ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসে পরিপাকনালির এসিড ও এনজাইম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মানুষের পাকস্থলীর প্রাচীরে বিদ্যমান প্যারাইটাল কোষ থেকে HCI নিঃসৃত হয় যা পাকস্থলীর ভেতরের পরিবেশকে অম্লীয় করে। পাকস্থলীর প্রাচীরের মিউকাস কোষ থেকে পিচ্ছিল মিউকাস নিঃসৃত হয় যা পাকস্থলীর অন্যান্য কোষকে অম্লীয় পরিবেশ হতে রক্ষা করে। পাকস্থলীর লুমেনে অম্লের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে এর pH এর মান কমে যায়।

সাধারণত pH এর মান 2 এর কম হলে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয়। কিন্তু পাকস্থলীর pH এর মান দীর্ঘ সময় 2 এর নিচে থাকে না। খাদ্যগ্রহণের সময় পাকস্থলীতে ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করে এবং এ সময়ই pH এর মান বেড়ে যায়। এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, Klebsiella, Salmonella, Proteus ইত্যাদি অণুজীবসমূহ pH এর মান 1 – 2 এর মধ্যে বাঁচতে পারে না কিন্তু pH এর মান 4 এর মধ্যে হলে বাঁচে। লালাগ্রন্থি নিঃসৃত লাইসোজাইম এনজাইম মুখবিবরে খাদ্যের সাথে আগত ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে।

প্রকৃতপক্ষে ব্যাকটেরিয়া থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্যই এ এনজাইম নিঃসৃত হয়। পাকস্থলীর প্রাচীর থেকে HCI নিঃসৃত হয় যা ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে এবং পাকস্থলীতে প্রোটিয়েজ এনজাইমের ক্রিয়ার জন্য অম্লীয় পরিবেশ সৃষ্টি করে।

ঘ. দেহে এন্টিজেনের উপর এন্টিবডির ক্রিয়াশীলতা বিশ্লেষণ করা হলো দেহের ভেতরে যেসব পদার্থ বহিরাগত বলে চিহ্নিত হয় এবং যাদের অনুপ্রবেশের ফলে দেহ অনাক্রমতাজনিত সাড়া দেয়, তাদের অ্যান্টিজেন বা ইমিউনোজেন বলে। হিউমোরাল অনাক্রম্যতার ক্ষেত্রে অ্যান্টিবডি সৃষ্টির মাধ্যমে জীবাণুর আক্রমণ প্রতিরোধের মূলে থাকে অ্যান্টিজেন অ্যান্টিবডি বিক্রিয়া। B লিম্ফোসাইট কর্তৃক অ্যান্টিবডি ক্ষরণ অনাক্রম্যতাজনিত সাড়াদানের যেমন একটি দিক, তেমনি বিভিন্ন রকম অ্যান্টিজেনের সাথে বিভিন্ন প্রকার অ্যান্টিবডির বিক্রিয়াও জীবাণু বা ভাইরাস দ্বারা আক্রমণ প্রতিরোধের অপর একটি বিশিষ্ট দিক।

ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়া জাতীয় জীবাণু কোন কোষকে আক্রমণের পূর্বে উহারা পোষক কোষের প্লাজমাপর্দার উপর আবদ্ধ হয়। অশ্রু, নাকের পানি, লালারস ও অন্যান্য দেহরলে IgA থাকে এবং উহা সংক্রামক জীবাণুর গায়ে যে অ্যান্টিজেন থাকে তার সাথে আবদ্ধ হয়। এর ফলে অ্যান্টিবডি আবৃত জীবাণু পোষক কোষের সংস্পর্শে আসতে পারে না। যেসব জীবাণু IgA এর প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে কলার ভেতরে প্রবেশ করে উহারা লিম্ফনোড ও মিউকোসা কলায় বিদ্যমান IgE এর সংস্পর্শে আসে। IgE মাস্টকোষের সাথে আবদ্ধ হয়ে উহা হতে হিস্টামিন ক্ষরণ করে। হিস্টামিনের প্রভাবে স্থানিক ভিত্তিতে প্রদাহ বিক্রিয়া শুরু হয়।

এ অবস্থায় IgG সরবরাহ হয় এবং ক্ষতস্থানে কমপ্লিমেন্ট সিস্টেমও কাজ করে। যদি জীবাণুর অ্যান্টিজেন সরাসরি T লিম্ফোসাইট কর্তৃক চিহ্নিত না হয় তখন উহা ম্যাক্রোফেজের সহায়তায় B লিম্ফোসাইটের নিকট উন্মুক্ত হয়। এ অবস্থায় বিটা লিম্ফোসাইট অ্যান্টিজেনের সাথে আবদ্ধ হলে উহা অ্যান্টিবডি ক্ষরণ করতে থাকে। অ্যান্টিবডিগুলো জীবাণুর গায়ে অ্যান্টিজেনের সাথে আবদ্ধ হয়ে অ্যান্টিজেন-অ্যান্টিবডি কমপ্লেক্স গঠন করে এবং জীবাণু প্রতিরোধী বিক্রিয়া দেখায়।

সৃজনশীল প্রশ্ন ২ : কোন দেশ শত্রু দ্বারা আক্রান্ত হলে সে দেশের সেনাবাহিনী যেমন শত্রু পক্ষকে ধ্বংস করার জন্য যুদ্ধ করে আমাদের দেহের তেমন একটি ব্যবস্থা আছে। তাছাড়াও দেহের প্রতিরক্ষায় শত্রু পক্ষকে স্মরণে রেখে শত্রুর পুনরায় আক্রমণ থেকে দেহকে রক্ষার একটি অনন্য ব্যবস্থা আছে ।

ক. অনাক্রম্যতা কী?
খ. নিষ্ক্রিয় অঙ্গ বলতে কী বুঝ?
গ. উদ্দীপকের আলোকে আমাদের দেহের জীবাণু ধ্বংসের ব্যবস্থা মানবদেহের প্রতিরক্ষা অধ্যায়ের আলোকে আলোচনা কর।
ঘ. উদ্দীপকের শেষ লাইনটির স্বপক্ষে তোমার মতামত দাও।

সমাধান : ক. রোগ উৎপাদনকারী জীবাণু ও বিজাতীয় পদার্থের বিরুদ্ধে দেহ যে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলে তাই হলো অনাক্রম্যতা।

খ. যে সকল অঙ্গ কিছু প্রাণীর ক্ষেত্রে পূর্ণ বিকশিত ও সক্রিয় কিন্তু কিছু প্রাণীর ক্ষেত্রে বিলুপ্ত প্রায় ও নিষ্ক্রিয় তাদের লুপ্ত প্রায় অঙ্গ বা নিষ্ক্রিয় অঙ্গ বলে। যেমন— কর্ণ সঞ্চালন পেশি, উপপল্লব, ৩য় বর্ণ দন্ত বা আক্কেল দাঁত, দেহের লোম, পুরুষের স্তন, পুচ্ছাস্থি, অ্যাপেন্ডিক্স।

গ. দেহে রোগজীবাণু ধ্বংসের যে জটিল ব্যবস্থাপনা রয়েছে তা ইমিউনতন্ত্র নামে পরিচিত। এ সম্পর্কে মানবদেহের প্রতিরক্ষা অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

ঘ. উদ্দীপিতর শেষ লাইনে দেহের অর্জিত প্রতিরক্ষার কথা বলা হয়েছে। এ সম্পর্কে মানবদেহের প্রতিরক্ষা অধ্যায়ে বিশ্লেষণ করা আছে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৩ : ত্বক মানবদেহের প্রাথমিক প্রতিরক্ষা স্তর। কিন্তু জীবাণু শরীরে প্রবেশ করলে ম্যাক্রোফেজ, নিউট্রোফিল জীবাণু ভক্ষণ করে একটি বিশেষ প্রক্রিয়ায়। আবার শরীরে অ্যান্টিজেন প্রবেশ করলে তা প্রতিরোধ করার জন্য প্রোটিন জাতীয় এক ধরনের বস্তু উৎপন্ন হয়।

ক. অনাক্রম্যতা বা Immunity কী?
খ. অনাক্রম্য তন্ত্রে কোন কোন কোষ অংশগ্রহণ করে?
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রক্রিয়াটি মানবদেহের প্রতিরক্ষা অধ্যায়ের আলোকে বর্ণনা কর।
ঘ. উদ্দীপকে প্রোটিন জাতীয় বস্তুটির গঠন মানবদেহের প্রতিরক্ষা অধ্যায়ের আলোকে ব্যাখ্যা কর।

সমাধান : ক. রোগ উৎপাদনকারী জীবাণু ও বিজাতীয় পদার্থের বিরুদ্ধে দেহ যে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলে তাই হলো অনাক্রম্যতা বা Immunity |

খ. অনাক্রম্যতন্ত্রে যে যে কোষ অংশগ্রহণ করে সেগুলো হলো কেরাটিনোসাইট কোষ, ড্রেনডাইটিক কোষ, T-লিম্ফোসাইট, লিম্ফেটিক এণ্ডোথেলিয়াল কোষ, গ্র্যানুলোসাইট, ম্যাক্রোফাজ ও মাষ্টকোষ।

গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রক্রিয়াটি হলো ফ্যাগোসাইটোসিস। এ সম্পর্কে মানবদেহের প্রতিরক্ষা ব্যাখ্যা করা আছে।

ঘ. উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রোটিন জাতীয় বস্তুটি হলো এন্টিবডি। এ সম্পর্কে মানবদেহের প্রতিরক্ষা অধ্যায়ে বিশ্লেষণ করা আছে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৪ : মানবদেহে স্বাভাবিক প্রতিরক্ষার মধ্যে রয়েছে ত্বক, শ্বসনতন্ত্রের আবরণী পর্দা। পাকস্থলীর এসিড ও পরিপাক তন্ত্রের উৎসেচক ফ্যাগোসাইট নামক শ্বেত রক্তকণিকা ও রক্ত এবং কোষরসে বিদ্যমান এন্টিবডিসমূহ। চিকিৎসা বিজ্ঞানে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে কৃত্রিম অনাক্রম্যতা বলা হয়।

ক. অ্যান্টিবডি কী?
খ. মানুষের জ্বর হয় কেন?
গ. খাদ্যদ্রব্যের ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসে পরিপাকনালির এসিড ও এনজাইমের ভূমিকা মানবদেহের প্রতিরক্ষা অধ্যায়ের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
ঘ. দেহে Antigen-এর উপর Antibody-এর ক্রিয়াশীলতা মানবদেহের প্রতিরক্ষা অধ্যায়ের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

সমাধান : ক. এন্টিবডি হলো দেহে প্রতিরক্ষাতন্ত্র থেকে উৎপন্ন এক ধরনের দ্রবণীয় গ্লাইকোপ্রোটিন যা রোগ ব্যাধি সৃষ্টিকারী নির্দিষ্ট অ্যান্টিজেনকে ধ্বংস করে।

খ. দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে সাধারণভাবে একে জ্বর বলে। মানুষ জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে জীবাণু-বিরোধী যেসব রাসায়নিক যৌগ উৎপন্ন হয়(যেমন- পাইরোজেন), তা মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসকে উদ্দীপিত করে দেহের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এক্ষেত্রে দেহের পরিধি অঞ্চলের রক্তনালি সংকুচিত হওয়ার তাপ দেহের বাইরে নির্গত হতে পারে না। ফলে মানুষের জ্বর হয়।

গ. খাদ্যদ্রব্যের ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসে পরিপাকনালির এসিড ও এনজাইম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ সম্পর্কে মানবদেহের প্রতিরক্ষা অধ্যায়ে ব্যাখ্যা করা আছে।

ঘ. দেহে Antigen এর উপর Antibody এর ক্রিয়াশীলতা মানবদেহের প্রতিরক্ষা অধ্যায়ে বিশ্লেষণ করা আছে।

— ৮ম অধ্যায় : মানব শারীরতত্ত্ব: সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ
— ৯ম অধ্যায় : মানব জীবনের ধারাবাহিকতা

সৃজনশীল প্রশ্ন ৫ : বাড়ির চারদিকে ওয়ালের ন্যায় আমাদের দেহকে ঘিরে রয়েছে এক বিশেষ ধরনের প্রতিরক্ষা দেয়াল। জীবাণু দেহে প্রবেশ করলে রক্ত তৈরি করে এক বিশেষ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। তা সত্ত্বেও রোগ মুক্ত দেশ গঠনে ভেক্সিনের বিকল্প নেই।

ক. স্টেম সেল কী?
খ. ফ্যাগোসাইটোসিস বলতে কী বোঝ?
গ. দেহকে ঘিরে অবস্থিত উদ্দীপকের প্রতিরক্ষা দেয়ালের ভূমিকা মানবদেহের প্রতিরক্ষা অধ্যায়ের আলোকে উল্লেখ কর।
ঘ. উদ্দীপকের উল্লেখিত শেষোক্ত লাইনটির যথার্থতা মানবদেহের প্রতিরক্ষা অধ্যায়ের আলোকে নিরূপণ কর।

সমাধান : ক. অবিভেদিত ও আজীবন বিভাজনক্ষম কোষই হলো স্টেম কোষ।

খ. যে প্রক্রিয়ায় শ্বেত রক্তকণিকা ক্ষণপদের মাধ্যমে জীবাণু ধ্বংস করে তাকে ফ্যাগোসাইটোসিস বলে। এ প্রক্রিয়ায় শুরুতে ম্যাক্রোফেজ ক্ষণপদ সৃষ্টি করে জীবাণুকে ঘিরে ধরে একটি গহ্বরে বা ফ্যাগোসোমে আবদ্ধ করে ফেলে। পরবর্তীতে লাইসোসোম ফ্যাগোসোমের সাথে মিশে গিয়ে লাইসোসোমের এনজাইম ফ্যাগোলাইসোজোম গঠন করে। লাইসোসোমের এনজাইম ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে।

গ. দেহকে ঘিরে অবস্থিত উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রতিরক্ষা দেয়াল হলো আমাদের দেহের প্রতিরক্ষার প্রথম স্তর বা ত্বক। এ সম্পর্কে মানবদেহের প্রতিরক্ষা অধ্যায়ে উল্লেখ করা আছে।

ঘ. উদ্দীপকে উল্লেখিত শেষোক্ত লাইনটি হলো রোগ মুক্ত দেশ গঠনে ভেক্সিনের বিকল্প নেই। এ সম্পর্কে মানবদেহের প্রতিরক্ষা অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

Leave a comment

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More