(প্রাণীর আচরণ) এইচএসসি : জীববিজ্ঞান সৃজনশীল প্রশ্নোত্তর

প্রাণীর আচরণ হচ্ছে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির জীববিজ্ঞান ২য় পত্রের ১২শ অধ্যায়। প্রাণীর আচরণ অধ্যায় থেকে সেরা বাছাইকৃত ৫টি সৃজনশীল প্রশ্ন এবং সে প্রশ্নগুলোর উত্তর সম্পর্কে আলোচনা করা হলো-

সৃজনশীল প্রশ্ন ১ : কনা তাদের বাড়ির উঠানে বসেছিল। সে লক্ষ করল তার পাশ দিয়ে একদল পিঁপড়া সারিবেঁধে চলাচল করছে। সে দেখল পিঁপড়াগুলো খাবার সংগ্রহ করে গর্তে নিয়ে যাচ্ছে। কনা একটি কাঠি দিয়ে পিঁপড়ার চলার পথে বাঁধা সৃষ্টি করল, এতে পিঁপড়াগুলো তাদের চলাচল থামিয়ে দিল এবং কিছুক্ষণ পর আবার অন্য পথ দিয়ে তাদের গন্তব্যের দিকে যেতে লাগল।

ক. সহজাত আচরণ কী?
খ. সব বাবুই পাখি একই ধরনের বাসা বুনে কেনো?
গ. উদ্দীপকে প্রাণীটির আচরণের কোন দিকটি প্রকাশ পেয়েছে তা ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে নির্দেশিত আচরণটি প্রাণিজগতের প্রাণীদের অভিযোজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে–এর স্বপক্ষে যুক্তি প্রদর্শন করো ।

সমাধান : ক. অনেকগুলো প্রতিবর্ত ক্রিয়ার ফলে সৃষ্ট সরল, পূর্ব অভিজ্ঞতা বিবর্জিত প্রজাতি সুনির্দিষ্ট ও বংশগত আচরণই হলো সহজাত আচরণ।

খ. সব বাবুই পাখি একই ধরনের বাসা বুনে কারণ এটা তাদের সহজাত আচরণ। সহজাত আচরণ হচ্ছে প্রজাতি নির্দিষ্ট অর্থাৎ একই প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত সকল সদস্যের মধ্যে একই ধরনের সহজাত আচরণ পরিলক্ষিত হয়। এ আচরণ উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত ও জিন নিয়ন্ত্রিত এবং প্রাণীর জিনোমে বংশানুক্রমিত অবস্থায় সংরক্ষিত থাকে। সহজাত আচরণ বংশ পরম্পরায় অপরিবর্তিত থাকে।

গ. উদ্দীপকে পিঁপড়ার সারিবেধে চলাচল ও খাবার সংগ্রহ করে গর্তে ফেরার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা প্রাণীর সহজাত আচরণের প্রকাশ। সহজাত আচরণ বলতে বোঝায় প্রতিবর্ত ক্রিয়ার সৃষ্ট সরল, পূর্ব অভিজ্ঞতা বিবর্জিত, প্রজাতি সুনির্দিষ্ট, শিখনবিহীন ও বংশগত সকল আচরণকে।

সহজাত আচরণের বৈশিষ্ট্য ও পিঁপড়ার আচরণ লক্ষ করলে দেখা যায় যে, সহজাত আচরণ প্রজাতি নির্দিষ্ট, একই প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত সকল সদস্যের মধ্যে একই ধরনের সহজাত আচরণ দেখা যায়। পিঁপড়ার সারি বেঁধে চলাচলের মাঝে পরিলক্ষিত হয়। পিঁপড়ার সকল প্রজাতিই তাদের পূর্ব প্রজাতির ন্যায় চলাচল করে। কখনও তার ব্যাতিক্রম হয় না। তবে এসব আচরণ জন্মের সময় থেকেই সব সময় প্রকাশ পায় না। পরিপক্কতার মধ্য দিয়ে উপযুক্ত সময় প্রকাশ পায়।

উদ্দীপকে পিঁপড়ার খাবার সংগ্রহ করে গর্তে ফেরার কথাও বলা হয়েছে যা সহজাত আচরণেরই বৈশিষ্ট্য। প্রাণীর খাদ্য গ্রহণ, খাদ্য সংগ্রহ ও খাদ্য সংরক্ষণ এগুলো তার উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জিন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। প্রাণীর জিনোমে বংশানুক্রমিত অবস্থায় সংরক্ষিত থাকে। খাবার সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে পিঁপড়া খাবারের ঘ্রাণ নিয়ে খাবারের দিকে সারিবেধে নির্দিষ্ট কিছু চিহ্ন বা লক্ষ্য বস্তুকে স্মরণ রেখে যায় খাবার সংগ্রহ করে ঐ স্মৃতিচিহ্ন লক্ষ্য করেই গর্তে ফিরে আসে। উদ্দীপকের প্রাণীটির বা পিঁপড়ার সমস্ত আচরণ বিশ্লেষণ করে এটাই বোঝা যায় যে, এ আচরণ পিঁপড়ার সহজাত আচরণ।

ঘ. উদ্দীপকে পিঁপড়ার সারিবেধে চলাচল, খাবার সংগ্রহ করা ও গর্তে ফেরার কথা উল্লেখ করা হয়েছে যা প্রাণির সহজাত আচরণ। এ সহজাত আচরণ প্রাণীদের অভিযোজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পিঁপড়ার সারিবেধে চলাচলের সময় যদি কোনো প্রতিকূল পরিবেশের সৃষ্টি হয়, তাহলে সকল পিঁপড়া সে পরিবেশের সাথে নিজেদের খাপ খাইয়ে নেয়।

উল্লেখ্য যে, উদ্দীপকের কনা পিঁপড়ার গতিপথে বাধা সৃষ্টি করে। তখন পিঁপড়াগুলো তাদের চলাচল থামিয়ে দিয়ে কিছুক্ষণ পর অন্য পথ দিয়ে তাদের গন্তব্যস্থলে যাত্রা শুরু করে। যা প্রতিকূল পরিবেশে প্রাণীর খাপ খাইয়ে নেওয়া সহজাত আচরণ নির্দেশ করে। পরিবেশের পরিবর্তন সহজাত আচরণকে প্রভাবিত করে। খাদ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে প্রাণীরা দূর্যোগের চিন্তা করে। ঐ সময়ের জন্য খাদ্য সংগ্রহ করে যা প্রাণীদের দূর্যোগের প্রতিকূল পরিবেশে প্রাণীদের অভিযোজিত হওয়ার একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। প্রতিকূল পরিবেশে প্রাণীদের খাদ্য সংগ্রহ অনিশ্চিত হয়ে পড়লে প্রাণীরা এই সংগৃহীত খাদ্য খেয়ে জীবন ধারণ করে।

গর্তে ফেরার ক্ষেত্রেও এ আচরণ লক্ষ করা যায়। খাদ্য সংগ্রহ করতে যাবার সময় রেখে যাওয়া বিভিন্ন চিহ্ন স্মরণ করে পিঁপড়া গর্তে ফিরে। কোন কারণে চিহ্ন নষ্ট হলে বা মুছে গেলে তাদের গর্তে ফেরা অসম্ভব হবার কথা ছিল, কিন্তু তা না হয়ে উদ্দীপকে লক্ষ করা যায় পিঁপড়াগুলো অন্যপথ দিয়ে গর্তে ফিরছে যা প্রতিকূল পরিবেশে অভিযোজিত হওয়ার উদাহরণ। অর্থাৎ বলা যায় যে, সহজাত আচরণ প্রাণীদের অভিযোজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ২ : বিভিন্ন উদ্দীপনায় সাড়া দেওয়ার প্রেক্ষিতে যে কোন আচরণগত সাড়ার ব্যাপ্তি ও প্রকৃতির পরিবর্তন ঘটে। নির্দিষ্ট প্রাণিতে সব সময় একই উদ্দীপনা একই সাড়া ফেলতে পারে না। এর পেছনে বিভিন্ন উদ্দীপনা সম্মিলিতভাবে কাজ করে।

ক. লিথাল জিন কী?
খ. ল্যামার্কের সূত্রগুলি লিখো।
গ. উদ্দীপক অনুসারে টুনটুনির বাসা একটি সহজাত আচরণ ব্যাখ্যা করো।
ঘ. মাইগ্রেশন আচরণ একটি সহজাত আচরণ। পাখিদের জীবনে এর গুরুত্ব লিখো।

সমাধান : ক. যেসব জিনের উপস্থিতি জীবের জীবনী শক্তি কমিয়ে দেয় কিংবা বাহকের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায় সেসব জিনই লিথাল জিন।

খ. ডডসন ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দে বিবর্তন সম্বন্ধে ল্যামার্ক-এর বিস্তৃত ধারণাকে ৪টি সূত্রের অধীন করে ব্যাখ্যার সুবিধা করে দেন। নিচে সূত্রগুলো উল্লেখ করা হলো :

প্রথম সূত্র-বৃদ্ধি: প্রত্যেক জীব তার জীবনকালে অন্তঃজীবনী শক্তির প্রভাবে দেহের আকার এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের বৃদ্ধি ঘটাতে চায়।
দ্বিতীয় সূত্র- পরিবেশের প্রভাব এবং জীবের সক্রিয় প্রচেষ্টা ও আঙ্গিক পরিবর্তন : সদা পরিবর্তনশীল পরিবেশে অভিযোজনের জন্য সৃষ্ট অভাববোধের উদ্দীপনা এবং নিরন্তর প্রচেষ্টার ফলে দেহের আঙ্গিক পরিবর্তন ঘটে।
তৃতীয় সূত্র- ব্যবহার ও অব্যবহার: ক্রমাগত ব্যবহারের ফলে দেহের একটি বিশেষ অঙ্গ সুগঠিত, কার্যক্ষম ও বড় হতে পারে, আবার অব্যবহারে অঙ্গটি ক্রমশ ক্ষুদ্র হয়ে বিলুপ্ত হয়ে যায়।
চতুর্থ সূত্র- অর্জিত বৈশিষ্ট্যের উত্তরাধিকার : প্রতিটি জীবের জীবদ্দশায় অর্জিত সকল বৈশিষ্ট্য ভবিষ্যৎ বংশধরে সঞ্চারিত হয়।

গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত টুনটুনি পাখির বাসা বাঁধা সহজাত আচরণের চমৎকার উদাহরণ। এ সম্পর্কে প্রাণীর আচরণ অধ্যায়ে ব্যাখ্যা করা আছে।

ঘ. উদ্দীপকে উল্লেখিত পাখির মাইগ্রেশন সহজাত আচরণ। এ সম্পর্কে প্রাণীর আচরণ অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৩ : রাসেল তার কাকাকে প্রশ্ন করল যে, কিছু পাখিকে অতিথি পাখি বলে কেনো? উত্তরে তার কাকা জানাল যে, উত্তর গোলার্ধের কিছু পাখি শীতে আমাদের দেশে আসে আবার গরমে নিজ দেশে চলে যায়। তাই তাদের অতিথি পাখি বলে।

ক. সহজাত আচরণ কী?
খ. ট্যাক্সিস ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের পাখিগুলো আমাদের দেশে আসার কারণ প্রাণীর আচরণ অধ্যায়ের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
ঘ. এই পাখিগুলোর সাথে আমাদের কেমন আচরণ করা উচিত—তা প্রাণীর আচরণ অধ্যায়ের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

সমাধান : ক. অনেকগুলো প্রতিবর্ত ক্রিয়ার ফলে সৃষ্ট সরল, পূর্ব অভিজ্ঞতা বিবর্জিত, প্রজাতি সুনির্দিষ্ট ও বংশগত আচরণের নামই হলো সহজাত আচরণ।

খ. দিকমুখি উদ্দীপনা বা উদ্দীপনা মাত্রার তীব্রতার প্রতি একটি জীবের সহজাত আচরণগত সাড়া দেওয়াকে ট্যাক্সিস বলে। এটি অন্যতম সহজাত আচরণ যা অভিযোজনযোগ্য। যেমন— সূর্যের প্রতি সাড়া দিয়ে পিঁপড়ার চলন হলো এক ধরনের ট্যাক্সিস। সূর্যকে দিয়ে পিঁপড়া তার কৌণিক দিক ঠিক করে চলাচল করে।

গ. উদ্দীপকের পাখিগুলো আমাদের দেশে আসার কারণ তাদের পরিযায়ন। এ সম্পর্কে প্রাণীর আচরণ অধ্যায়ে ব্যাখ্যা করা আছে।

ঘ. পাখি প্রকৃতির এক অপূর্ব সৃষ্টি। পাখিগুলোর প্রতি কিরূপ আচরণ করা উচিত তা সম্পর্কে প্রাণীর আচরণ অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৪ : গত বৎসর শীতকালিন ছুটিতে নাহিদ তাদের গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে গেল। সেখানে পড়ার রুমের বাইরে আমগাছে বেশ বড় একটা মৌচাক হয়েছে। তার কয়েকদিন পর দেখলো মৌচাকটি আরো অনেক বড় হয়েছে এবং অনেক মধু জমা করেছে। তারপর নাহিদ তার ভাইকে বললো দেখ ভাইয়া মৌমাছিদের কাছ থেকে আমাদের অনেক শেখার আছে।

ক. সহজাত আচরণ কী?
খ. মানবদেহের ১ম প্রতিরক্ষা স্তর হিসাবে ত্বকের ভূমিকা লিখো।
গ. নাহিদের দেখা পতঙ্গগুলির শ্রম বণ্টন প্রাণীর আচরণ অধ্যায়ের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকের বক্তা শেখার আছে বললো। কি শেখার আছে তা প্রাণীর আচরণ অধ্যায়ের আলোকে বিস্তারিত বর্ণনা করো।

সমাধান : ক. অনেকগুলো প্রতিবর্ত ক্রিয়ার ফলে সৃষ্ট সরল, পূর্ব অভিজ্ঞতা বিবর্জিত, প্রজাতি সুনির্দিষ্ট ও বংশগত আচরণের নামই হলো সহজাত আচরণ।

খ. ত্বক মানবদেহের প্রথম প্রতিরক্ষা স্তর হিসেবে কাজ করে। এটি রোগ জীবাণু ও ক্ষতিকর বিভিন্ন উপাদান পরিবেশ হতে দেহের অভ্যন্তরে প্রবেশে বাধা দিয়ে ভৌত প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করে। এছাড়া বিভিন্ন কোষ বা গ্রন্থি নিঃসৃত রস, তৈল ইত্যাদি রাসায়নিক পদার্থও ত্বকে কার্যকর থেকে রোগজীবাণু ও ধূলাবালি থেকে দেহকে রক্ষা করে।

গ. নাহিদের দেখা পতঙ্গগুলি হলো মৌমাছি। মৌমাছির শ্রম বণ্টন সম্পর্কে প্রাণীর আচরণ অধ্যায়ে ব্যাখ্যা করা আছে।

ঘ. উদ্দীপকের বক্তা ‘শেখার আছে’ বললো কারণ উদ্দীপকের প্রাণী মৌমাছি সামাজীকভাবে দলবদ্ধ হয়ে বসবাস করে। এ সম্পর্কে প্রাণীর আচরণ অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

— ৭ম অধ্যায় : মানব শারীরতত্ত্ব: চলন ও অঙ্গচালনা
— ৮ম অধ্যায় : মানব শারীরতত্ত্ব: সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ

সৃজনশীল প্রশ্ন ৫ : শীতের ছুটিতে রিপন ও তার বন্ধুরা সুন্দরবন বেড়াতে গেল । সেখানে বিভিন্ন ধরনের গাছপালা, বন্যপ্রাণী, পাখির বাসায় বাচ্চা পালন অর্থাৎ অপত্য পালন এবং মৌমাছির ঝাঁক দেখতে পেল।

ক. সিলোম কী?
খ. ভেনাস হার্ট বা শিরা হৃদপিণ্ড বলতে কী বুঝ?
গ. উদ্দীপকের প্রাণীটির “অপত্য লালন” বিশ্লেষণ করো।
ঘ. মৌমাছি একত্রে বাস করে ঝাঁক বেঁধে সমাজবদ্ধ জীবের ন্যায় আচরণ করে—ব্যাখ্যা করো।

সমাধান : ক. ভূণীয় মেসোডার্ম থেকে উদ্ভূত ভিসেরাল পেরিটোনিয়াম পর্দা দ্বারা আবৃত দেহ গহ্বরই হলো সিলোম।

খ. যেসব হৃৎপিণ্ড কেবল CO2 সমৃদ্ধ রক্ত বহন করে সে হৃৎপিণ্ডই হলো ভেনাস হার্ট বা শিরা হৃৎপিণ্ড।
সকল মাছের হৃৎপিণ্ডই ভেনাস প্রকৃতির। এ ধরনের হৃৎপিণ্ডে রক্ত প্রথমে সাইনাস ভেনোসাসে প্রবেশ করে। যেখান থেকে অ্যাট্রিয়াম, ভেন্ট্রিকল, বাল্বাস অ্যাওর্টা হয়ে ফুলকায় যায়। এক্ষেত্রে রক্ত প্রবাহ একমুখী এবং কখনোই O2 যুক্ত রক্ত পরিবহন করে না।

গ. উদ্দীপকে পাখির অপত্য লালনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ সম্পর্কে প্রাণীর আচরণ অধ্যায়ে ব্যাখ্যা করা আছে।

ঘ. মৌমাছি হলো একটি সামাজিক পতঙ্গ। এদের জীবনাচরণে বিভিন্ন সামাজিক দিক লক্ষ করা যায়। এরা একত্রে ঝাঁক বেঁধে সমাজবদ্ধ জীবের ন্যায় আচরণ করে। এ সম্পর্কে প্রাণীর আচরণ অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

Leave a comment

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More