(জীব প্রযুক্তি) এইচএসসি : জীববিজ্ঞান সৃজনশীল প্রশ্নোত্তর

জীব প্রযুক্তি হচ্ছে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির জীববিজ্ঞান ১ম পত্রের ১১শ অধ্যায়। জীব প্রযুক্তি অধ্যায় থেকে সেরা বাছাইকৃত ৫টি সৃজনশীল প্রশ্ন এবং সে প্রশ্নগুলোর উত্তর সম্পর্কে আলোচনা করা হলো-

সৃজনশীল প্রশ্ন ১ : গবেষণাগারে বিশেষ পদ্ধতিতে জীবাণুমুক্ত পরিবেশে চরদের অসংখ্য অনুচারা উৎপাদন করা হলো জীবপ্রযুক্তির একটি দিক। জীবপ্রযুক্তির আরেকটি দিক হলো একটি নির্দিষ্ট জিন বহনকারী DNA খণ্ডাণু পৃথক করে ভিন্ন একটি জীবকোষের DNA-এর সাথে জোড়া দিয়ে এতে কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটানো।
ক. কৃত্রিম প্রজনন বলতে কী বোঝ?
খ. শৈবাল ও ছত্রাকের পার্থক্য লেখো।
গ. উদ্দীপকে আলোচিত হয় প্রযুক্তিটির চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যবহার আলোচনা করো।
ঘ. উদ্দীপকে প্রযুক্তি দুটির মধ্যে কোনটি কৃষি ক্ষেত্রে সর্বাধিক কল্যাণ সাধন করেছে তোমার উত্তরের স্বপক্ষে যুক্তি দেখাও।

সমাধান : ক. বংশগতীয় পার্থক্যসম্পন্ন দুই বা ততোধিক জাতের উদ্ভিদের মধ্যে কৃত্রিমভাবে পরাগায়ন ঘটিয়ে উন্নত বৈশিষ্ট্যের নতুন জাত উৎপাদন পদ্ধতিকে কৃত্রিম সংকরায়ন বলা হয়।

খ. শৈবাল ও ছত্রাকের পার্থক্য নিম্নরূপ
• শৈবাল :
১. এদের কোষে ক্লোরোফিল উপস্থিত।
২. কোষপ্রাচীর সেলুলোজ ও পেকটোজ দিয়ে গঠিত।
৩. সঞ্চিত খাদ্য শ্বেতসার।
৪. এরা অধিকাংশ জলজ ।

• ছত্রাক :
১. এদের কোষে ক্লোরোফিল অনুপস্থিত।
২. কোষপ্রাচীর কাইটিন বা ছত্রাকীয় সেলুলোজ দ্বারা গঠিত।
৩. সঞ্চিত খাদ্য গ্লাইকোজেন ও তৈল বিন্দু।
৪. এরা অধিকাংশ স্থলজ।

গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত ২য় প্রযুক্তিটি হলো রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি। চিকিৎসাক্ষেত্রে রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি ইতোমধ্যেই সফলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে রোগ নির্ণয়, রোগ প্রতিরোধ ও রোগ নিরাময়ের উপকরণ উৎপাদন করা যায়। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের বংশগত ত্রুটিজনিত রোগ জিন থেরাপি দ্বারা নির্মূল করা সম্ভব। ব্যয়োফার্মিং এর মাধ্যমে অন্য উদ্ভিদ বা প্রাণীদেহে জিন স্থানান্তর করে মানুষের প্রয়োজনীয় শর্করা, প্রোটিন, হরমোন, এন্টিজেন, এন্টিবডি উৎপাদন করা যায়। জিন প্রযুক্তির মাধ্যমে গৃহপালিত পশুর রক্ত, মূত্র, সিমেন ও দুধের প্রয়োজনীয় ওষুধ ও উপাদান উৎপাদন করা যায়।

বিভিন্ন প্রকার বৃদ্ধি হরমোন উৎপাদন করা এমনকি বিভিন্ন রোগের টিকা বা এন্টিবায়োটিক তৈরি করা যায় এ প্রযুক্তির মাধ্যমে। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন ওষুধের গুণাগুণ ও পরিমাণ বৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে। এছাড়াও সুস্থ সবল শিশু জন্মদানের ক্ষেত্রেও এ প্রযুক্তি নিয়ে আসছে আশার আলো।

ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রথম প্রযুক্তিটি হলো টিস্যু কালচার এবং দ্বিতীয় প্রযুক্তিটি হলো রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি। বর্তমানে টিস্যু কালচার প্রযুক্তির চেয়ে রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তিই কৃষিক্ষেত্রে সর্বাধিক কল্যাণ সাধন করছে। কারণ টিস্যু কালচার প্রযুক্তি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শুধুমাত্র চারা উৎপাদন করে উদ্ভিদের প্রজনন ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে। এমনকি উৎপন্ন চারাগুলো হুবহু মাতৃগুণসম্পন্ন হওয়ায় কোনো নতুন বৈশিষ্ট্যের আবির্ভাব ঘটে না। অপরদিকে রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি হচ্ছে বর্তমান।

বিশ্বের বহুল আলোচিত ও অত্যন্ত সম্ভাবনাময় প্রযুক্তি। জীবন-জীবিকার প্রায় সব ক্ষেত্রেই এই প্রযুক্তির ব্যবহার উল্লেখযোগ্য। যেমন আমেরিকান। তুলা গাছে পোকার আক্রমণের ফলে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ উৎপাদন হ্রাস পেতো। এই সমস্যা দূর করতে Bacillus thuringiensis নামক ব্যাকটেরিয়া থেকে একটি জিন যোগ করার মাধ্যমে ট্রান্সজেনিক তুলা গাছ সৃষ্টি করা হয়েছে। এর ফলে ঐ গাছে পোকার জন্য বিষাক্ত প্রোটিন সৃষ্টি হয়। তাই এখন ঐ পোকার আক্রমণ ঘটে না। যার ফলে তুলার ফলন বৃদ্ধি পেয়েছে। উদ্ভিদের গুণগত মান উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়াতে। চেয়ার লোমকে উন্নতমানের করার জন্য সালফার সমৃদ্ধ ক্লোভার ঘাস হিসেবে ব্যবহার হয়। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ভিটামিন A সমৃদ্ধ সুপার নেন্ট DNA প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি হয়ে থাকে যা ভেড়ার খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হয়।

এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ভিটামিন A সমৃদ্ধ সুপার রাইস তৈরি করা হয় যা এশিয়া, আফ্রিকা ও ল্যাটিন আমেরিকার ভাতপ্রিয় লক্ষ লক্ষ ছেলেমেয়ের ভিটামিন A এর অভাব পূরণ করে। এছাড়া রোগ প্রতিরোধক্ষম জাত উদ্ভাবনে রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি সফলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বায়বীয় নাইট্রোজেন সংবন্ধনকারী ব্যাকটেরিয়া হতে ‘নিফজিন’ (যা নাইট্রোজেন সংবন্ধনের জন্য দায়ী) E.coli ব্যাকটেরিয়াতে স্থানান্তর করা সম্ভব হয়েছে। এই নিফ জিনবাহী ব্যাকটেরিয়ার ব্যবহার জমিতে নাইট্রোজেনঘটিত সার প্রয়োগ কমাতে সাহায্য করবে। রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি ব্যবহার করে বর্তমানে বিশ্বের অনেক দেশে বীজহীন ফল সৃষ্টি করা হচ্ছে। যেমন জাপানে বীজহীন তরমুজ সৃষ্টি। এছাড়া দ্যুতিময় উদ্ভিদ ও ক্ষতিকারক কীটপতঙ্গরোধী উদ্ভিদ সৃষ্টিতে রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তাই একথা নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তিই কৃষিক্ষেত্রে সর্বাধিক কল্যাণ সাধন করছে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ২ : ‘A’ জিন মিষ্টির জন্য দায়ী এবং ‘B’ জিন আকৃতির জন্য দায়ী। একটি আম মিষ্টি কিন্তু আকৃতিতে ছোট এবং ‘A’ জিনটিকে যদি আকৃতিতে বড় আমে স্থানান্তরিত করা হয় আমটি মিষ্টি এবং আকৃতিতে বড় হবে।
ক. টিস্যু কালচার প্রযুক্তির সংজ্ঞা দাও।
খ. প্লাজমিড বহনকারী একটি অণুজীবের নাম ও গুরুত্ব লেখো।
গ. ‘A’ জিনটিকে কিভাবে বড় আকৃতির আমে দ্রুত স্থানান্তর করা সম্ভব হবে?
ঘ. ‘B’ জিনটিকে ‘A’ জিনধারী আমে স্থানান্তর করলে কী রকম ফল হবে ব্যাখ্যা করো।

সমাধান : ক. উদ্ভিদের বিভাজনক্ষম টিস্যু বা ক্ষুদ্র অঙ্গাণুকে জীবাণুমুক্ত করে, উপযুক্ত পরিবেশে গবেষণাগারে কৃত্রিম মাধ্যমে আবাদ করার প্রযুক্তিই হলো টিস্যু কালচার প্রযুক্তি।

খ. প্লাজমিড বহনকারী একটি অণুজীব তথা ব্যাকটেরিয়ার নাম Agrobacterium turmefaciens। মানবজীবন এবং পরিবেশে এর গুরুত্ব রয়েছে। একে জিন প্রকৌশলে ব্যবহার করা হয়। কৃষি, শিল্প প্রভৃতি ক্ষেত্রেও এর ভূমিকা অপরিসীম । তবে কিছু রোগ সৃষ্টির জন্যও এরা দায়ী।

গ. উদ্দীপকের A জিনটিকে বড় আকৃতির আমে দ্রুত স্থানান্তর করা সম্ভব। এ সম্পর্কে জীব প্রযুক্তি অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

ঘ. উদ্দীপকের B জিনটি আমের বড় আকৃতির জন্য দায়ী। এ সম্পর্কে জীব প্রযুক্তি অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৩ : বন্যজাত হতে কাঙ্খিত বৈশিষ্ট্য আবাদি জাতে স্থানান্তরের মাধ্যমে উন্নত জাত উদ্ভাবন এবং এদের চারা তৈরিতে বিশেষ প্রযুক্তিকে সুন্দরভাবে ব্যবহার করা যায়।
ক. খাদ্য পিরামিড কী?
খ. ফটোসিস্টেম কাকে বলে?
গ. বৈশিষ্ট্য স্থানান্তরের প্রক্রিয়াটি বর্ণনা করো।
ঘ. চারা তৈরির প্রযুক্তিটি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে? বিশ্লেষণ করো।

সমাধান : ক. শর্করাকে নিচু স্তরে রেখে পর্যায়ক্রমে পরিমাণগত দিক বিবেচনা করে শাকসবজি, ফলমূল, আমিষ, স্নেহ ও চর্বি জাতীয় খাদ্যকে সাজালে যে কাল্পনিক পিরামিড তৈরি হয় সেটি হলো খাদ্য পিরামিড।

খ. ক্লোরোফিল অণুসমূহ এবং তার সাথে সংশ্লিষ্ট ইলেকট্রন গ্রহীতাসমূহ এক সাথে ইউনিট হিসেবে কাজ করে। এই ইউনিটকে ফটোসিস্টেম বলে। ফটোসিস্টেম দুই প্রকার, যথা- ফটোসিস্টেম-১ ও ফটোসিস্টেম-২। সালোকসংশ্লেষণে ফটোসিস্টেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত বৈশিষ্ট্য স্থানান্তরের প্রক্রিয়াটি হলো রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি। এ সম্পর্কে জীব প্রযুক্তি অধ্যায়ে ব্যাখ্যা করা আছে।

ঘ. উদ্দীপকে উল্লেখিত চারা তৈরির প্রক্রিয়াটি হলো টিস্যু কালচার প্রযুক্তি। এ সম্পর্কে জীব প্রযুক্তি অধ্যায়ে বিশ্লেষণ করা আছে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৪ : আকাশ চৌধুরী গবেষণাগারে বীজ ছাড়াই A উদ্ভিদের অসংখ্য চারা তৈরি করেন এবং বাবুল সাহেব B উদ্ভিদের বিটা ক্যারোটিন ও আয়রন তৈরির জিন সংযুক্ত করে নতুন জাত তৈরি করেছেন।
ক. লিভারওয়ার্ট কী?
খ. ব্রায়োফাইটা কে উভচর উদ্ভিদ বলা হয় কেন?
গ. উদ্ভিদ প্রজনন ও উন্নতজাত উদ্ভাবনে A উদ্ভিদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত প্রযুক্তির ভূমিকা লিখ।
ঘ. A উদ্ভিদ ও B উদ্ভিদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত প্রযুক্তির তুলনা করো।

সমাধান : ক. হেপাটেসি শ্রেণির শৈবালই হলো লিভারওয়ার্ট।

খ. ব্রায়োফাইটা প্রধানত স্থলে জন্মায়। এছাড়া বর্ষাকালে আর্দ্র ও ভেজা স্যাঁতস্যাঁতে ছায়াময় পরিবেশে দলবদ্ধ হয়ে জন্মায়। স্থলে জন্মালেও পানি ছাড়া এদের জনন, বৃদ্ধি ও বিকাশ ঘটে না। এজন্য এদেরকে উভচর উদ্ভিদ বলা হয়।

গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত A উদ্ভিদের ক্ষেত্রে টিস্যু কালচার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। উদ্ভিদ প্রজনন ও উন্নত জাত উদ্ভাবনে টিস্যু কালচারের ভূমিকা জীব প্রযুক্তি অধ্যায়ে দেওয়া আছে।

ঘ. উদ্দীপকে উল্লেখিত A ও B উদ্ভিদে ব্যবহৃত প্রযুক্তিদ্বয় হলো যথাক্রমে টিস্যু কালচার ও জিন প্রকৌশল প্রযুক্তি। উক্ত প্রযুক্তি দুটির মধ্যে তুলনা জীব প্রযুক্তি অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

— ৮ম অধ্যায় : টিস্যু ও টিস্যুতন্ত্র
— ৯ম অধ্যায় : উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব
— ১০ম অধ্যায় : উদ্ভিদ প্রজনন

সৃজনশীল প্রশ্ন ৫ : ড. মোশারফ এন্ডেমিক উদ্ভিদ ক্ষুদে বড়লার শীর্ষ মুকুল সংগ্রহ করে জীব প্রযুক্তির মাধ্যমে অসংখ্যা চারা উৎপাদন করে বনায়ন করলেন। অপর দিকে ড. তাপস এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া থেকে পতঙ্গ নাশক কৌলিক পদার্থ শসা উদ্ভিদে স্থানান্তর করে পতঙ্গ বিরোধী শসা উদ্ভিদ উৎপাদন করলেন।
ক. তালিপাম এর বৈজ্ঞানিক নাম লেখো।
খ. স্পাইকলেট পুষ্পবিন্যাস বলতে কী বোঝ?
গ. উদ্দীপকের দ্বিতীয় জীব প্রযুক্তিটির কৌশল ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকের জীব প্রযুক্তি দুটির মধ্যে কোনটি মানব কল্যাণে অবদান রেখেছে? এ সম্পর্কে তোমার মতামত বিশ্লেষণ করো।

সমাধান : ক. তালিপামের বৈজ্ঞানিক নাম- Corypha taliera Roxb.

খ. Cyperaceae ও Poaceae গোত্রের উদ্ভিদে যেমন- ধান, গম, ঘাস ইত্যাদি উদ্ভিদে সংক্ষিপ্ত মঞ্জরিদণ্ড এবং বিশেষ ধরনের অপুষ্পক ও সপুষ্পক মঞ্জরিপত্র বিশিষ্ট যে পুষ্পবিন্যাস দেখা যায় তাকে স্পাইকলেট পুষ্পবিন্যাস বলে। স্পাইকলেট পুষ্পবিন্যাসে মঞ্জরিদণ্ডের গোড়ার দিকে দুটি বর্মাকার অপুষ্পক গ্লুম, উপরে একটি সপুষ্পক গুম বা লেমা থাকে।

গ. উদ্দীপকে দ্বিতীয় জীব প্রযুক্তিটি হলো রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি। রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি কয়েকটি ধাপের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়ে থাকে। উক্ত ধাপগুলো জীব প্রযুক্তি অধ্যায়ে ব্যাখ্যা করা আছে।

ঘ. উদ্দীপকে জীব প্রযুক্তি দুটির মধ্যে রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি মানব কল্যাণে বিশেষ অবদান রেখেছে। এ সম্পর্কে জীব প্রযুক্তি অধ্যায়ে বিশ্লেষণ করা আছে।

Leave a comment

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More