(জীবের প্রজনন) নবম-দশম শ্রেনী : জীববিজ্ঞান ১১শ অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন-উত্তর

জীবের প্রজনন হচ্ছে নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞানের ১১শ অধ্যায়। জীবের প্রজনন অধ্যায় থেকে সেরা বাছাইকৃত ৭টি সৃজনশীল প্রশ্ন এবং সে প্রশ্নগুলোর উত্তর সম্পর্কে আলোচনা করা হলো-

সৃজনশীল প্রশ্ন ১ : Pinky is a graments worker. Last year she marrid with auto rickshaw driver keshor. Now a days she fells headache, heartburn, distaste for certain foods, rapid loss of body weight and suffer from fever for more than one month. She went to medical center. Doctor gives her some test. After diagnosis doctor told her she has been pregnant and HIV positive.

A. What is pituitary gland?
B. What do you mean by tendon and ligament?
C. What down causes of Pinky’s disease?
D. Describe the changes of embryo in uters of Pinky.

অনুবাদ : পিংকি একজন গার্মেন্টস শ্রমিক। গত বছর সে অটোরিকশা চালক কিশোরকে বিয়ে করে। ইদানীং সে মাথাব্যথা, জ্বর, খাদ্যে অরুচি, শরীরের ওজন হ্রাস এবং জ্বরে ভুগছে। সে মেডিকেল সেন্টারে গিয়েছিল। ডাক্তার তাকে কিছু পরীক্ষা করতে দেয়। রোগ নির্ণয় করে ডাক্তার বললেন সে অন্তঃসত্ত্বা এবং HIV পজেটিভ।

ক. পিটুইটারি গ্রন্থি কী?
খ. টেনডন এবং লিগামেন্ট বলতে কী বোঝ?
গ. পিংকির রোগের কারণ কী?
ঘ. পিংকির জরায়ু এবং ভ্রূণের পরিবর্তনগুলো বর্ণনা কর।

সমাধান : ক. মস্তিষ্কের অঙ্কীয় দেশের ঠিক নিচে অপটিক কায়াজমার ঠিক পেছনে যুক্ত গ্রন্থিকে পিটুইটারি গ্রন্থি বলে।

খ. টেনডন : দেহের মাংসপেশির প্রান্তভাগ রজ্জুর মতো শক্ত হয়ে অস্থিগাত্রের সাথে সংযুক্ত থাকে এই শক্ত প্রান্তকে টেনডন বলে। টেনডন ঘন, শ্বেততন্তুময়, যোজক টিস্যু দ্বারা গঠিত। এসব টিস্যু শাখা
প্রশাখাবিহীন, তরঙ্গিত ও উজ্জ্বল শ্বেততন্তু দ্বারা গঠিত।
লিগামেন্ট : পাতলা কাপড়ের মতো কোমল অথচ দৃঢ় স্থিতিস্থাপক বন্ধনী দ্বারা অস্থিসমূহ পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে। একে অস্থিবন্ধনী বা লিগামেন্ট বলে। লিগামেন্ট শ্বেততন্তু ও পীততন্তুর সমন্বয়ে গঠিত।

গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত তথ্যের ভিত্তিতে বোঝা যায়, পিংকি AIDS রোগে আক্রান্ত হয়েছে। পিংকির স্বামী অটোরিকশা চালক কিশোর HIV ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত ছিল। ফলে কিশোরের সাথে পিংকির যৌন মিলনের কারণে। পিংকির শরীরে HIV ভাইরাস প্রবেশ করেছে এবং পিংকি AIDS রোগে আক্রান্ত হয়েছে। HIV ভাইরাস শ্বেত রক্তকণিকার ক্ষতি সাধন করে এ কণিকার এন্টিবডি তৈরিতে বিঘ্ন ঘটায়। ফলে শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা ও এন্টিবডির পরিমাণ ক্রমশ কমতে থাকে। এই ভাইরাস মানবদেহে সুপ্ত অবস্থায় অনেকদিন থাকতে পারে। এই ভাইরাসের আক্রমণে রোগীর দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বিনষ্ট হয়ে যায় ফলে রোগীর মৃত্যু অনিবার্য হয়ে পড়ে।

ঘ. পিংকি অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় তার জরায়ু ও ভ্রূণের পরিবর্তন হয়। প্রত্যেক প্রজাতিতে ভ্রূণের জন্য মাতৃদেহের ভেতর সহজ, স্বাভাবিক ও নিরাপদ পরিবর্ধনের ব্যবস্থা হিসেবে ভ্রূণের চারিদিকে কতকগুলো ঝিল্লি বা আবরণী থাকে। এগুলো ভ্রূণের পুষ্টি, গ্যাসীয়, আদান-প্রদান, বর্জ্য নিষ্কাশন ইত্যাদি কাজে সহায়তা করে। ভ্রূণ আবরণীগুলো ক্রমবর্ধনশীল ভ্রুণকে রক্ষা করে এবং অতি গুরুত্বপূর্ণ কাজ নিয়ন্ত্রণে অংশ নেয়।
নিচে ভ্রূণের পরিবর্তনসমূহ উল্লেখ করা হলো-
১. প্রথমে শুক্রাণু ও ডিম্বাণু নিষিক্ত হয়।
২. প্রায় ৩৬ ঘণ্টা পর নিষিক্ত ডিম্বাণুর কোষ বিভাজন হয়।
৩. প্রায় ৭২ ঘণ্টার পর ১৬ কোষবিশিষ্ট একটি গঠন তৈরি করেছে যা পরবর্তীতে বলের মতো আকার ধারণ করে।
৪. চার সপ্তাহ পরে ভ্রূণথলি তরলের মধ্যে ভাসতে থাকে।
৫. প্রায় পাঁচ সপ্তাহ পরে ভ্রূণের বৃদ্ধি চলতে থাকে এবং হাত ও পায়ের গঠনের মুকুলের মতো অঙ্গাণু সৃষ্টি হয়।
৬. প্রায় ৮ সপ্তাহ পরে ভ্রূণকে ফিটাস বলে।
৭. ৩৮ সপ্তাহে জরায়ু ভেতর ফিটাসের মাথা নিচের দিকে ঘুরে যায়। এভাবে ভ্রূণের পরিবর্তন হয়।

সৃজনশীল প্রশ্ন ২ : ডিম্বাশয়ের অভ্যন্তরে ডিম্বক অবস্থান করে। উক্ত ডিম্বকে ডিম্বাণু সৃষ্টি হতে কতকগুলো ধাপ পর্যায়ক্রমে সংঘটিত হয়। ডিম্বাণু সৃষ্টি না হলে উদ্ভিদের যৌনজনন প্রক্রিয়া সম্ভব হতো না।

ক. বয়ঃসন্ধিকাল কাকে বলে?
খ. দ্বিনিষেক বলতে কী বোঝ? ব্যাখ্যা কর।
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত উক্ত ধাপসমূহ চিহ্নিত চিত্রে দেখাও।
ঘ. উদ্দীপকের সর্বশেষ উক্তিটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

সমাধান : ক. কৈশোর ও তারুণ্যের সন্ধিকালই বয়ঃসন্ধিকাল।

খ. প্রায় একই সময়ে দুটি প্রজনন কোষের একটি ডিম্বাণু ও অপরটি গৌণ নিউক্লিয়াসের সাথে মিলিত হওয়ার ঘটনাকে দ্বিনিষেক বলা হয়।

গ. উদ্দীপকে বর্ণিত ধাপসমূহ হলো স্ত্রীগ্যামিটোফাইট বা ডিম্বাণু উৎপত্তির বিভিন্ন ধাপ। স্ত্রীগ্যামিটোফাইট বা ডিম্বাণু উৎপত্তির বিভিন্ন ধাপের চিত্র জীবের প্রজনন অধ্যায়ে চিহ্নিত করা আছে।

ঘ. উদ্দীপকের সর্বশেষ উক্তিটির গুরুত্ব জীবের প্রজনন অধ্যায়ে বিশ্লেষণ করা আছে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৩ : জীববিজ্ঞান ক্লাসে শিক্ষক উদ্ভিদের প্রজনন সম্পর্কে আলোচনা করতে যেয়ে একটি পুরুষ মিষ্টি কুমড়া ফুল নিয়ে এর একটি অত্যাবশ্যকীয় অংশ দেখিয়ে প্রজননে এর ভূমিকা বর্ণনা করছেন। তিনি আরও বললেন, সপুষ্পক উদ্ভিদের জীবনচক্রে স্পোরোফাইটিক ও গ্যামোটোফাইটিক পর্যায় চক্রাকারে আবর্তিত হয়।

ক. অমরা কী?
খ. পুষ্পমঞ্জরি বলতে কী বোঝায়?
গ. উক্ত ফুলে দেখানো অংশটি প্রজননে কীভাবে ভূমিকা নেয়- ব্যাখ্যা কর।
ঘ. শিক্ষকের শেষ উক্তিটি মিষ্টি কুমড়া গাছের ক্ষেত্রে কতটুকু প্রযোজ্য— যুক্তি দাও।

সমাধান : ক. যে বিশেষ অঙ্গের মাধ্যমে মাতৃ জরায়ুতে ক্রমবর্ধমান ভ্রূণ এবং মাতৃ জরায়ু টিস্যুর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপিত হয় তাকে অমরা বলে ।

খ. গাছের ছোট একটি শাখায় ফুলগুলো বিশেষ একটি নিয়মে সাজানো থাকে। ফুলসহ এই শাখাকে পুষ্পমঞ্জরি বলে। পরাগায়নের জন্য পুষ্পমঞ্জরির গুরুত্ব খুব বেশি।

গ. উদ্দীপকে শিক্ষক পুরুষ মিষ্টিকুমড়া ফুলের যে অংশটি দেখিয়েছিলো তার নাম হচ্ছে পুংস্তবক। পুংস্তবক উদ্ভিদ প্রজননের গুরুত্ব জীবের প্রজনন অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

ঘ. শিক্ষকের শেষ উক্তিটিতে সপুষ্পক উদ্ভিদের জীবনচক্রের স্পোরোফাইটিক ও গ্যামেটোফাইটিক পর্যায় চক্রাকারে আবর্তিত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। এ বিষয়ে জীবের প্রজনন অধ্যায়ে বিস্তর আলোচনা করা হয়েছে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৪ : প্রাণিদেহে হরমোন একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। পরিবহন করার জন্য এর কোনো নির্দিষ্ট নালি থাকে না। শুধুমাত্র রক্তের মাধ্যমে প্রবাহিত হয়ে দেহের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।

ক. মানবদেহের রক্তকোষ কয় ধরনের?
খ. হূৎপিণ্ড সুস্থ রাখার উপায় বর্ণনা কর।
গ. উদ্দীপকে নির্দেশিত হরমোনের অস্বাভাবিকতা মানবদেহে কী প্রভাব সৃষ্টি করে ব্যাখ্যা কর।
ঘ. প্রজনন কার্যক্রম উক্ত উপাদানটির ভূমিকা বিশ্লেষণ কর।

সমাধান : ক. মানবদেহে রক্তকোষ তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথা- ১. লোহিত রক্তকণিকা, ২. শ্বেত রক্তকণিকা ও ৩. অনুচক্রিকা।

খ. হূৎপিণ্ডকে সুস্থ রাখতে হলে মাদক ও নেশা পরিহার করতে হবে। মেদ সৃষ্টিকারী খাদ্য পরিহার বা কম গ্রহণ করতে হবে। নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়াম করতে হবে। কাঁচা ফল ও শাকসবজি পরিমাণমতো খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। অতিরিক্ত শর্করা, সুষম খাদ্য গ্রহণ পরিহার করতে হবে।

গ. উদ্দীপকের উপাদানটি হলো হরমোন। হরমোন মানবদেহে যে প্রভাব সৃষ্টি করে তা জীবের প্রজনন অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

ঘ. উদ্দীপকের উপাদানটি হলো হরমোন। মানব প্রজননে হরমোনের ভূমিকা জীবের প্রজনন অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৫ : (A) ডিম্বাণু ও (B) শুক্রাণুর মিলনের ফলে (C) জাইগোট উৎপন্ন হয়। এই প্রক্রিয়াকে (D) নিষেক বলে।

ক. পরাগায়ন কাকে বলে?
খ. বায়ুপরাগী ফুল ও পতঙ্গপরাগী ফুলের মধ্যে পার্থক্য লিখ।
গ. উদ্দীপকের (A) অঙ্গাণুর উৎপন্ন হওয়ার প্রক্রিয়াটি জীবের প্রজনন অধ্যায়ের আলোকে আলোচনা করো।
ঘ. উদ্দীপকের (D) প্রক্রিয়ার গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

সমাধান : ক. ফুলের পরাগধানী হতে পরাগরেণু একই ফুলে অথবা একই জাতের অন্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হওয়াকে পরাগায়ন বলে।

খ. বায়ুপরাগী ফুল ও পতঙ্গপরাগী ফুলের মধ্যে পার্থক্য নিচে উল্লেখ করা হলো-
• বায়ুপরাগী ফুল :
i. এ ধরনের ফুল আকারে ছোট
ii. এসব ফুল হালকা মধুগ্রন্জি হীন।
iii.এ ধরনের ফুল সুগন্ধবিহীন।
iv. উদাহরণ- ধান।

• পতঙ্গপরাগী ফুল :
i. এ ধরনের ফুল আকারে বড় হয়।
ii. এসব ফুল সাধারণত মধুগ্রন্থি যুক্ত।
iii.এ ধরনের ফুল সুগন্ধযুক্ত।
iv. উদাহরণ- জবা, কুমড়া।

গ. উদ্দীপকে A হলো ডিম্বাণু। ডিম্বাণু উৎপন্ন হওয়ার প্রক্রিয়া জীবের প্রজনন অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

ঘ. উদ্দীপকের D প্রক্রিয়াটি হলো নিষেক। নিষেকের গুরুত্ব জীবের প্রজনন অধ্যায়ে বিস্তর আলোচনা করা আছে।

• (খাদ্য, পুষ্টি এবং পরিপাক) নবম-দশম শ্রেনী : জীববিজ্ঞান ৫ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন-উত্তর
• (জীবে পরিবহন) নবম-দশম শ্রেনী : জীববিজ্ঞান ৬ষ্ঠ অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন-উত্তর

সৃজনশীল প্রশ্ন ৬ : পরাগরেণু অঙ্কুরিত হয়ে পুংজনন কোষ উৎপন্ন হয়। আবার গর্ভাশয়ের ভেতর এক বা একাধিক ডিম্বক বিশেষ সজ্জিত থাকে। এসব ডিম্বাণু সরাসরি জননে অংশগ্রহণ করে।

ক. নিয়ত পুষ্পমঞ্জরি কী?
খ. নিষেকের পর ফুলের গর্ভাশয়ের কীরূপ পরিবর্তন ঘটে?
গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত পুংজনন কোষ সৃষ্টির প্রক্রিয়াটি বর্ণনা কর।
ঘ. উদ্দীপকের স্ত্রীজনন কোষটি উদ্ভিদের প্রকরণ ও অভিযোজন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে বিশ্লেষণ কর।

সমাধান : ক. নিয়ত পুষ্পমঞ্জরি হচ্ছে অনিয়ত পুষ্পমঞ্জরি ও পুষ্প উৎপাদনের ফলে বৃদ্ধি থেমে যাওয়ার মাধ্যম।

খ. নিষেকের পরগর্ভাশয় এককভাবে অথবা ফুলের অন্যান্য অংশসহ পরিপুষ্ট হয়ে ফল গঠন করে। শুধু গর্ভাশয় ফলে পরিণত হলে তাকে প্রকৃত ফল বলে, যেমন— আম, কাঁঠাল। গর্ভাশয়সহ ফুলের অন্যান্য অংশ পুষ্ট হয়ে যখন ফলে পরিণত হয় তখন তাকে অপ্রকৃত ফল বলে। যেমন– আপেল, চালতা ইত্যাদি।

গ. উদ্দীপকের আলোকে পুংজনন কোষ সৃষ্টির প্রক্রিয়া জীবের প্রজনন অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

ঘ. উদ্দীপকে স্ত্রী জননকোষ হলো ডিম্বাণু। ডিম্বাণু সম্পর্কে জীবের প্রজনন অধ্যায়ে বিস্তর আলোচনা করা আছে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৭ : প্রজননের জন্য বিশেষভাবে রূপান্তরিত বিটপকে ফুল বলে। সুপষ্পক উদ্ভিদে পরাগায়ন ঘটে এবং গ্যামেটোফাইটের পর ‘নিষেক’ সম্পন্ন হয়।

ক. গর্ভপত্র কী?
খ. স্বপরাগায়ন ও পরপরাগায়নের পার্থক্য লেখ।
গ. উদ্দীপকের গ্যামেটাফাইটে ‘n’ সংখ্যক ডিম্বাণু সৃষ্টির প্রক্রিয়া বর্ণনা কর।
ঘ. উদ্দীপকের শেষ লাইনের প্রক্রিয়াটি সচিত্র গঠন ব্যাখ্যা কর।

সমাধান : ক. স্ত্রীস্তবকের প্রতিটি সদস্যকে বলা হয় গর্ভপত্র। স্ত্রীস্তবক এক বা একাধিক গর্ভপত্র নিয়ে গঠিত হতে পারে। একটি গর্ভপত্রের তিনটি অংশ গর্ভাশয়, গর্ভদণ্ড ও গর্ভমুণ্ড।

খ. স্বপরাগায়ন ও পরপরাগায়নের পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো :
• স্বপরাগায়ন
i. একই ফুলে বা একই গাছের ভিন্ন দুটি ফুলের মধ্যে পরাগায়ন ঘটে।
ii. পরাগরেণুর অপচয় কম হয়।
iii. পরাগায়নের জন্য বাহকের উপর নির্ভর করতে হয় না।
iv. সরিষা, ধুতরা ইত্যাদি উদ্ভিদে স্বপরাগায়ন ঘটে।

• পরপরাগায়ন
i. একই প্রজাতির দুটি ভিন্ন উদ্ভিদের ফুলের মধ্যে ঘটে।
ii. এতে প্রচুর পরাগরেণুর অপচয় ঘটে।
iii. পরাগায়নের জন্য বাহকের উপর নির্ভর করতে হয়।
iv. শিমুল, পেঁপে ইত্যাদি গাছের ফুলে পর পরাগায়ন ঘটে।

গ. উদ্দীপকের গ্যামাইটোফাইটে ‘n’ সংখ্যক ডিম্বাণু সৃষ্টির প্রক্রিয়া জীবের প্রজনন অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

ঘ. উদ্দীপকের শেষ লাইনের প্রক্রিয়াটি হলো নিষেক। নিষেকের সচিত্র গঠন জীবের প্রজনন অধ্যায়ে ব্যাখ্যা করা আছে।

Leave a comment

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More