(জীবপ্রযুক্তি) নবম-দশম শ্রেনী : জীববিজ্ঞান ১৪শ অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন-উত্তর

জীবপ্রযুক্তি হচ্ছে নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞানের ১৪শ অধ্যায়। জীবপ্রযুক্তি অধ্যায় থেকে সেরা বাছাইকৃত ৭টি সৃজনশীল প্রশ্ন এবং সে প্রশ্নগুলোর উত্তর সম্পর্কে আলোচনা করা হলো-

সৃজনশীল প্রশ্ন ১ : Dr. Rahman produced a huge amount of disease free plant lets of orchid in a short period of time. He produced these plant lets, not by traditional process but by a special process in his lab.

A. What is DNA replication?
B. Write the steps of tissue culture.
C. Explain the technique followed by Dr. Ishtiak for producing orchid plant lets.
D. How the above process can use in agriculture purpose? Explain.

অনুবাদ :
ড. রহমান অল্প সময়ে তার বাগানে প্রচুর বীজবিহীন চারা উৎপাদন করেছেন। তিনি এ চারাগুলো স্বাভাবিক পদ্ধতিতে উৎপাদন করেননি বরং তার ল্যাবে একটি বিশেষ পদ্ধতিতে উৎপাদন করেছেন।

ক. DNA অনুলিপন কী?
খ. টিস্যু কালচারের ধাপসমূহ লিখ।
গ. ড. ইশতিয়াক অর্কিড চারা প্রস্তুতের জন্য যে পদ্ধতি অনুসরণ করেছিলেন তা বর্ণনা কর।
ঘ. উপরের পদ্ধতিটি কীভাবে কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়েছে- ব্যাখ্যা কর।

সমাধান : ক. কোষ বিভাজন শুরু হওয়ার আগে ইন্টারফেজ পর্যায়ে একটি DNA ডবল থেকে দুটি ডবল হেলিক্স তৈরি হওয়ায় পদ্ধতিটিকে DNA অনুলিপন বলে।

খ. টিস্যু কালচারের ধাপসমূহ হলো
i. মাতৃ উদ্ভিদ নির্বাচন
ii. আবাদ মাধ্যম তৈরি
iii. জীবাণুমুক্ত আবাদ প্রতিষ্ঠা
iv. মূল উৎপাদক মাধ্যমে স্থানান্তর ও
v. প্রাকৃতিক পরিবেশে তথা মাঠ পর্যায়ে স্থানান্তর।

গ. ড. ইসতিয়াক, অর্কিড গাছ উৎপন্ন করার জন্য টিস্যু কালচার প্রযুক্তি অবলম্বন করেছিলেন। নিচে তা বর্ণনা করা হলো-
মাতৃ উদ্ভিদ নির্বাচন : উন্নত গুণসম্পন্ন, স্বাস্থ্যবান ও রোগমুক্ত উদ্ভিদকে এক্সপ্ল্যান্টের জন্য নির্বাচন করা হয়।
আবাদ মাধ্যম তৈরি : উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি, ভিটামিন, ফাইটোহরমোন, সুক্রোজ প্রভৃতি অ্যাগারে সঠিক মাত্রায় মিশিয়ে আবাদ মাধ্যম তৈরি করা হয়।
জীবাণুমুক্ত আবাদ প্রতিষ্ঠা : আবাদ মাধ্যমকে অটোক্লেভ যন্ত্রে রেখে জীবাণুমুক্ত করতে হয়। জীবাণুমুক্ত আবাদ মাধ্যমে এক্সপ্ল্যান্টগুলোকে স্থাপন করে নির্দিষ্ট আলো ও তাপমাত্রায় বর্ধনের জন্য রাখা হয়। এক পর্যায়ে টিস্যু বারবার বিভাজিত হয়ে অণুচারা বা ক্যালাসে পরিণত হয়। ক্যালাস পরবর্তীতে একাধিক অণুচারা তৈরি করে।
মূল উৎপাদনের মাধ্যমে স্থানান্তর : উৎপাদিত চারাগাছে মূল তৈরি না হলে বিটপগুলো বিচ্ছিন্ন করে তাদের পুনরায় মূল উৎপাদনকারী আবাদ মাধ্যমে স্থাপন করা হয়।
মাঠ পর্যায়ে স্থানান্তর : মূলযুক্ত চারা অ্যাগার মুক্ত করে মাটি ভরা ছোট পাত্রে স্থানান্তর করা হয়। চারাগুলো মাঝে মাঝে কক্ষের বাইরে রেখে প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হয়। পূর্ণাঙ্গ ও সকল চারাই পরিণত হলে সেগুলোকে প্রাকৃতিক পরিবেশে মাটিতে লাগানো হয়। এভাবেই টিস্যু কালচার প্রযুক্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

ঘ. টিস্যু কালচার প্রযুক্তি কৃষিক্ষেত্রে যেভাবে ব্যবহৃত হয় তা নিচে দেওয়া হলো টিস্যু কালচার প্রযুক্তির কৌশলকে কাজে লাগিয়ে আজকাল উদ্ভিদ প্রজনন ও উন্নত জাতের ফসল উদ্ভাবনের মাধ্যমে আমাদের দেশে অনেক সফলতা পাওয়া গেছে। টিস্যু কালচারের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকার দেশি ও বিদেশি অর্কিডের চারা উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে। রোগ প্রতিরোধী এবং অধিক উৎপাদনশীল কলার চারা, বেলের চারা, কাঁঠালের চারা উৎপাদন করা হয়েছে। টিস্যু কালচার প্রযুক্তির সাহায্যে রোগমুক্ত, বিশেষ করে ভাইরাসমুক্ত চারা উৎপাদন করা হয়েছে। চন্দ্রমল্লিকা, গ্ল্যাডিওলাস, লিলি, কার্নেশাস প্রভৃতি ফুল উৎপাদনকারী উদ্ভিদের উন্নতমানের ফুল উৎপন্ন হচ্ছে। কদম, জারুল, ইপিল ইপিল, বক ফুল, সেগুন, নিম প্রভৃতি কাঠ উৎপাদনকারী বৃক্ষের চারা উৎপাদন করা হয়েছে। বিভিন্ন ডাল জাতীয় শস্য, বাদাম ও পাটের চারা উৎপাদন করা হয়েছে। টিস্যু কালচার প্রয়োগ করে আলুর রোগমুক্ত চারা এবং জীব মাইক্রোটিউবার উৎপাদন করা হয়েছে। এছাড়া বর্তমানে বিভিন্ন গবেষণাগারে অন্যান্য অনেক উদ্ভিদের টিস্যু কালচার বিষয়ে গবেষণা চলছে। আমাদের বাংলাদেশে টিস্যু কালচার প্রযুক্তির ব্যাপক বিকাশ ঘটছে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ২ : কালাম একজন বেকার যুবক। সে টিস্যু কালচারের উপর ট্রেনিং করে টিস্যু কালচার সম্পর্কে ধারণা লাভ করে। টিস্যু কালচারের মাধ্যমে সে গুণগতমানসম্পন্ন অনেক উদ্ভিদ উৎপন্ন করে। এর মাধ্যমে সে এখন জীবিকা নির্বাহ করে।

ক. টিস্যু কালচার কী?
খ. আবাদ মাধ্যম তৈরি উপাদান কী কী?
গ. কালাম কীভাবে জীবাণুমুক্ত আবাদ মাধ্যম তৈরি করবে?
ঘ. বাংলাদেশে টিস্যু কালচারের সফলতা জীবপ্রযুক্তি অধ্যায়ের আলোকে আলোচনা কর।

সমাধান : ক. একটি টিস্যুকে জীবাণুমুক্ত পুষ্টিবর্ধক কোনো মিডিয়ামে বর্ধিতকরণ প্রক্রিয়াই হলো টিস্যুকালচার।

খ. উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য অত্যাবশ্যকীয় খনিজ, পুষ্টি, ভিটামিন, ফাইটোহরমোন, সুক্রোজ এবং প্রায় কঠিন’ মাধ্যম তৈরির জন্য জমাট বাঁধার উপাদান, যেমন অ্যাগার প্রভৃতি সঠিক মাত্রায় মিশিয়ে আবাদ মাধ্যম তৈরি করা হয়।

গ. কালাম যেভাবে জীবাণুমুক্ত আবাদ মাধ্যম তৈরি করবে তা জীবপ্রযুক্তি অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

ঘ. বাংলাদেশে টিস্যু কালচারের সফলতা ব্যাপক। এ ব্যাপারে জীবপ্রযুক্তি অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৩ : জনাব রাশিদ পরীক্ষাগারে রিকম্বিনেন্ট প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে খরাসহিষ্ণু জাতের তুলা উৎপাদনের জন্য এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া থেকে খরাসহিষ্ণু জিন তুলাতে স্থানান্তর করেন।

ক. কনজুগেশন কী?
খ. ব্যাপন বলতে কী বোঝায়?
গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত উক্ত কাজটি জনাব রাশিদ কীভাবে সম্পন্ন করবেন? ব্যাখ্যা কর।
ঘ. উক্ত পদ্ধতির ব্যবহারে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নতি সম্ভব যুক্তিসহকারে মতামত দাও।

সমাধান : ক. যে যৌন জনন পদ্ধতিতে কনজুগেশন টিউব নামক সংযোগনালি সৃষ্টির প্রয়োজন হয় তাকে কনজুগেশন বলে।

খ. যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোনো দ্রব্যের অণু বেশি ঘনত্বের এলাকা থেকে কম ঘনত্বের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তাকে ব্যাপন বলে। পাতার মেসোফিল টিস্যুতে এই ব্যাপন চাপ ঘাটতির ফলে পানির ঘাটতি আছে এমন কোষ পাশের কোষ থেকে পানি টেনে নেয়। উদ্ভিদের পানি শোষণে ব্যাপনের গুরুত্ব অপরিসীম।

গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত রিকম্বিনেন্ট প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে জনাব রাশিদ যেভাবে কাজটি সম্পন্ন করতে পারবে তা জীবপ্রযুক্তি অধ্যায়ে ব্যাখ্যা করা আছে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৪ : খালিদ ও সারোয়ার দুজন ব্যক্তিগত উদ্যোগে দুটি নার্সারি চালায়। খালিদ বিভিন্ন ধরনের ফসলের চারা তৈরি করলেও সারোয়ার তার নার্সারির জন্য ল্যাবে টিস্যু কালচারের সাথে জিন প্রকৌশল প্রয়োগ করে একই সাথে ভিন্ন বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন ও অধিক সংখ্যক চারা তৈরি করতে পারে।

ক. এক্সপ্ল্যান্ট কী?
খ. অ্যান্টিবায়োসিস বলতে কী বোঝ?
গ. খালিদ ও সারোয়ারের নার্সারির জন্য তৈরিকৃত উদ্ভিদের প্রজনন পদ্ধতির তুলনা কর।
ঘ. খালিদ ও সারোয়ারের উদ্দীপকের বর্ণিত ব্যবসায় কে বেশি লাভবান হবে মূল্যায়ন কর।

সমাধান : ক. টিস্যু কালচারের উদ্দেশ্য উদ্ভিদের যে অংশ পৃথক করে নিয়ে ব্যবহার করা হয় তাকে ‘এক্সপ্ল্যান্ট’ বলে।

খ. একটি জীব কর্তৃক সৃষ্ট জৈব রাসায়নিক পদার্থের কারণে যদি অন্য জীবের বৃদ্ধি ও বিকাশ আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে বাধাপ্রাপ্ত হয় অথবা মৃত্যু ঘটে তখন সেই প্রক্রিয়াকে অ্যান্টিবায়োসিস বলে। অণুজীবজগতে এ ধরনের সম্পর্ক অনেক বেশি দেখা যায়।

গ. উদ্দীপকে খালিদ নার্সারিতে প্রচলিত প্রজনন পদ্ধতিতে এবং সারোয়ার জিন প্রকৌশল প্রয়োগ করে চারা উৎপাদন করে থাকে। এ সম্পর্কে জীবপ্রযুক্তি অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

ঘ. খালিদ ও সারোয়ারের উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যবসায় সারোয়ার বেশি লাভবান হবে। এ সম্পর্কে জীবপ্রযুক্তি অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৫ : রিয়ান ও রূপম ছোট বেলায় একসাথে পড়াশোনা করে। রিয়ান দেশে থেকে কৃষি
খামারের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। প্রচলিত প্রজননের মাধ্যমে ফসল ফলায় । রূপম বিদেশে গিয়ে জীব প্রকৌশলের উপর উচ্চতর লেখাপড়া করে।

ক. লোহিত রক্ত কোষ কী কী প্রোটিন দ্বারা তৈরি?
খ. DNA অনুলিপনকে অর্ধ রক্ষণশীল পদ্ধতি বলা হয় কেন?
গ. প্রজননের ক্ষেত্রে রিয়ানের ব্যবহৃত পদ্ধতির তুলনায় রূপমের ব্যবহৃত পদ্ধতি অধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন— ব্যাখ্যা কর ।
ঘ. পোকামাকড় ও ভাইরাস প্রতিরোধী ফসলের জাত উদ্ভাবনে রূপমের ব্যবহৃত প্রযুক্তির গুরুত্ব জীবপ্রযুক্তি অধ্যায়ের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

সমাধান : ক. লোহিত রক্তকোষ দু’ধরনের প্রোটিন দ্বারা তৈরি। যথা-
আলফা- গ্লোবিউলিন এবং বিটা– গ্লোবিউলিন

খ. DNA অনুলিপনের প্রক্রিয়া একটি DNA অণু থেকে আরেকটি নতুন অণু তৈরি হয়। এ পদ্ধতিতে DNA সূত্র দুটির হাইড্রোজেন বন্ধন ভেঙে গিয়ে আলাদা হয় এবং প্রতিটি সূত্র তার পরিপূরক নতুন সূত্র সৃষ্টি করে। পরে একটি পুরাতন সূত্র ও একটি নতুন সূত্র সংযুক্ত হয়ে DNA অণুর সৃষ্টি হয়। একটি পুরাতন সূত্রক এবং একটি নতুন সৃষ্ট সূত্রকের সমন্বয়ে গঠিত বলে DNA অনুলিপনকে অর্ধরক্ষণশীল পদ্ধতি বলা হয়।

গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত রিয়ানের ব্যবহৃত পদ্ধতি প্রচলিত প্রজনন পদ্ধতি এবং রূপমের ব্যবহৃত প্রজনন পদ্ধতি জিন প্রকৌশল পদ্ধতি। প্রজননের ক্ষেত্রে রিয়ানের ব্যবহৃত পদ্ধতির তুলনায় রূপমের ব্যবহৃত পদ্ধতির গুরুত্ব বেশি। এ সম্পর্কে জীবপ্রযুক্তি অধ্যায়ে বিশ্লেষণ করা আছে।

• (জীবে পরিবহন) নবম-দশম শ্রেনী : জীববিজ্ঞান ৬ষ্ঠ অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন-উত্তর

সৃজনশীল প্রশ্ন ৬ : ড. মজিদ গবেষণাগারে বীজ ছাড়াই নিমগাছের বিভাজনক্ষম অঙ্গ থেকে অসংখ্য চারা তৈরি করেন এবং তার বন্ধু ড. শফিক ধানগাছে B ক্যারোটিন ও আয়রন তৈরির জিন সংযুক্ত করে ধানের নতুন জাত উদ্ভাবন করেন।

ক. এক্সপ্ল্যান্ট কী?
খ. বর্ণান্ধতা বলতে কী বোঝায়?
গ. ধানের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত প্রযুক্তিটি বর্ণনা কর।
ঘ. নিমের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত প্রযুক্তিটি অধিক সতর্কতামূলক এবং অর্থনৈতিকভাবে সম্ভাবনাময়— বিশ্লেষণ কর।

সমাধান : ক. টিস্যু কালচারের উদ্দেশ্যে উদ্ভিদের যে অংশ পৃথক করে নিয়ে ব্যবহার করা হয় তাকে এক্সপ্ল্যান্ট বলে।

খ. বর্ণান্ধতা এমন একটি অবস্থা যখন কেউ কোনো রং সঠিকভাবে চিনতে পারে না। রং চিনতে আমাদের চোখের স্নায়ুকোষে রং শনাক্তকারী লিগমেন্ট থাকে। বর্ণান্ধ অবস্থায় রোগীদের চোখে স্নায়ু কোষের রং
শনাক্তকারী পিগমেন্টের অভাব থাকে। তাই তারা লাল, সবুজ বা কখনো নীল, হলুদ রং পার্থক্য করতে পারে না।

গ. ধানের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত প্রযুক্তিটি হলো জীবপ্রযুক্তি। জীবপ্রযুক্তি অধ্যায়ে এ বিষয়ে আলোচনা করা আছে।

ঘ. নিমের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত প্রযুক্তিটি জীবপ্রযুক্তির একটি পদ্ধতি টিস্যুকালচার প্রযুক্তি। এ সম্পর্কে জীবপ্রযুক্তি অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

• (গ্যাসীয় বিনিময়) নবম-দশম শ্রেনী : জীববিজ্ঞান ৭ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন-উত্তর

সৃজনশীল প্রশ্ন ৭ : ডা: G গবেষণার মাধ্যমে একজাতের ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কার করেন, যা বাংলাদেশের পরিবেশ দূষণ থেকে বাঁচাতে সাহায্য করবে। শিল্প কারখানা থেকে নির্গত তেল, হাইড্রোকার্বনকে নষ্ট করার জন্য এ ব্যাকটেরিয়া ব্যবহৃত হয়। তিনি জিন প্রকৌশল নিয়ে অনেক গবেষণা করেন যা শস্য উন্নয়নে প্রাণীর ক্ষেত্রে,
চিকিৎসা ক্ষেত্রে অনেক ভূমিকা রাখে। তাছাড়া আরিফ সাহেব বলেন প্রচলিত প্রজননের চেয়ে জিন প্রকৌশল অধিক কার্যকর।

ক. টিস্যু কালচার কী?
খ. রিকম্বিনেন্ট DNA প্রস্তুতিতে কী কী এনজাইম প্রয়োজন এবং কেন প্রয়োজন?
গ. পরিবেশ সুরক্ষায় জিন প্রকৌশলের ভূমিকা লিখ।
ঘ. ডা: G এর মতে, ‘প্রচলিত প্রজননের চেয়ে জিন প্রকৌশলী অধিক কার্যকর’— এ কথাটি বিশ্লেষণ কর।

সমাধান : ক. একটি টিস্যুকে জীবাণুমুক্ত পুষ্টিবর্ধক কোনো মিডিয়ামে বর্ধিতকরণ প্রক্রিয়াই হলো টিস্যু কালচার।

খ. রিকম্বিনেন্ট DNA প্রস্তুতিতে প্রধানত দুই ধরনের এনজাইম প্রয়োজন। যথা-
১। রেস্ট্রিকশন বা কর্তন এনজাইম : এই এনজাইম দ্বারা DNA এর কাঙ্ক্ষিত অংশটি কাটা হয় এবং ভেক্টরের নির্দিষ্ট স্থান কাটা হয়।
২। লাইগেজ এনজাইম : এর দ্বারা জোড়া লাগানো হয়।

গ. পরিবেশ সুরক্ষায় জিন প্রকৌশল সম্পর্কে জীবপ্রযুক্তি অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

ঘ. ডা: G এর উক্তিটি সম্পর্কে জীবপ্রযুক্তি অধ্যায়ে বিশ্লেষণ করা আছে।

Leave a comment

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More