(জীবন পাঠ) নবম-দশম শ্রেনী : জীববিজ্ঞান ১ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন-উত্তর

জীবন পাঠ হচ্ছে নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞানের ১ম অধ্যায়। জীবন পাঠ অধ্যায় থেকে সেরা বাছাইকৃত ৫টি সৃজনশীল প্রশ্ন এবং সে প্রশ্নগুলোর উত্তর সম্পর্কে আলোচনা করা হলো-

সৃজনশীল প্রশ্ন ১ : অ্যামিবা ও মানুষ উভয়েই প্রাণী। প্রাণী দুটির বৈজ্ঞানিক নাম ICZN কর্তৃক স্বীকৃত।

ক. ICZN এর পূর্ণ নাম লেখ।
খ. শ্রেণিবিন্যাসের উদ্দেশ্যগুলো লেখ।
গ. মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম উল্লেখপূর্বক যে নীতিমালা অনুসরণ করা হয়েছে তা জীবন পাঠ অধ্যায়ের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
ঘ. অ্যামিবা ও মানুষ একই সুপার কিংডমের অন্তর্ভুক্ত হলেও ভিন্ন ভিন্ন রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত— তা জীবন পাঠ অধ্যায়ের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

সমাধান : ক. ICZN এর পূর্ণ রূপ হলো— International Code of Zoological Nomenclature.

খ. শ্রেণিবিন্যাসের উদ্দেশ্য হলো-
i. প্রতিটি জীবের দল ও উপদল সম্বন্ধে জ্ঞান আহরণ করা।
ii. এই পূর্ণ জ্ঞানকে সংক্ষিপ্তভাবে উপস্থাপন করা।
iii. প্রতিটি জীবকে শনাক্ত করে তার একক এর নামকরণের ব্যবস্থা করা।
iv. সর্বোপরি জীবজগৎ ও মানব কল্যাণে প্রয়োজনীয় জীবসমূহ শনাক্ত করে তাদের সংরক্ষণ করা।

গ. মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম Homo sapiens। এই বৈজ্ঞানিক নামকরণে ICZN কর্তৃক কিছু সুনির্দিষ্ট নীতি রয়েছে। নীতিগুলো হলো-
i. নামকরণে অবশ্যই ল্যাটিন শব্দ ব্যবহার করতে হবে।
ii. বৈজ্ঞানিক নামের দুটি অংশ থাকবে, প্রথম অংশটি গণ নাম এবং দ্বিতীয় অংশটি প্রজাতিক নাম। এখানে Home গণ নাম এবং sapiens প্রজাতিক নাম।
iii. জীবজগতের প্রতিটি বৈজ্ঞানিক নামকে অনন্য হতে হবে। কারণ একই নাম দুটি পৃথক জীবের জন্য ব্যবহারের অনুমতি নেই।
iv. বৈজ্ঞানিক নামের প্রথম অংশের প্রথম অক্ষর বড় হবে বাকিগুলো ছোট অক্ষরে হবে এবং দ্বিতীয় অংশটির নাম ছোট অক্ষর দিয়ে লিখতে হবে। যেমন- মানুষ: Homo sapiens

v. বৈজ্ঞানিক নাম মুদ্রণের সময় সর্বদা ইতালিক অক্ষরে লিখতে হবে,
যেমন- Homo sapiens
vi. হাতে লেখার সময় গণ ও প্রজাতির নামের নিচে আলাদা আলাদা দাগ দিতে হবে।
যেমন: Homo sapiens
vii. যদি কয়েকজন বিজ্ঞানী একটি জীবের বিভিন্ন নামকরণ করেন তবে অগ্রাধিকার আইন অনুসারে প্রথমে বিজ্ঞানী কর্তৃক প্রদত্ত নামটি গৃহীত হবে।
viii. যিনি প্রথম কোনো জীবের বিজ্ঞানসম্মত নাম দেবেন তার অনুসৃত উক্ত জীবের বৈজ্ঞানিক নামের সাথে সংক্ষেপে সংযোজন করতে হবে।

ঘ.অ্যামিবা ও মানুষ উভয়ই ইউক্যারিওটা সুপার কিংডমের অন্তর্ভুক্ত হলেও অ্যামিবা প্রোটিস্টা রাজ্যে অন্তর্ভুক্ত এবং মানুষ অ্যানিমেলিয়া রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত। অ্যামিবা ও মানুষ দুটি ভিন্ন রাজ্যে থাকার কারণ হলো-
প্রোটিস্টা রাজ্যের বৈশিষ্ট্য : এরা এককোষী বা বহুকোষী। একক বা কলোনিয়াল বা ফিলামেন্টাস এবং সুগঠিত নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট। কোষে ক্রোমাটিন বস্তু নিউক্লিয়ার পর্দা দ্বারা পরিবৃত্ত থাকে। ক্রোমাটিন বস্তুতে DNA, RNA প্রোটিন থাকে। কোষে সব ধরনের অঙ্গাণু থাকে। এদের খাদ্য গ্রহণ শোষণ পদ্ধতিতে ঘটে। এদের মধ্যে অঙ্গজ জনন পরিলক্ষিত হয়। এদের ভ্রূণ উৎপন্ন হয় না। উক্ত বৈশিষ্ট্যগুলো অ্যামিবাতে বিদ্যমান।

অ্যানিমেলিয়া রাজ্যের বৈশিষ্ট্য : এরা সুকেন্দ্রিক নিউক্লিয়াস বিশিষ্ট ও বহুকোষী প্রাণী। এদের কোষে কোনো জড় কোষ, প্লাস্টিড ও কোষগহ্বর নেই। প্লাস্টিড না থাকায় এরা হেটারোট্রাফিক অর্থাৎ পরভোজী এবং খাদ্য গলাধঃকরণ করেও হজম করে। দেহে জটিল টিস্যুতন্ত্র বিদ্যমান। এরা প্রধান যৌন জননের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে। পরিণত ডিপ্লয়েড পুরুষ ও স্ত্রী প্রাণীর জননাঙ্গ থেকে হ্যাপ্লয়েড গ্যামেট উৎপন্ন হয়। ভ্রূণ বিকাশকালীন সময়ে ভ্রূণীয় স্তর সৃষ্টি করে। দেহ নির্দিষ্ট আকৃতির ও নির্দিষ্ট বৃদ্ধি সম্পন্ন। উক্ত বৈশিষ্ট্যগুলো মানুষে বিদ্যমান তাই মানুষ অ্যানিমেলিয়া রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত।
সুতরাং অ্যামিবা ও মানুষ উভয়েই সুগঠিত নিউক্লিয়াস বিশিষ্ট হওয়ায় তারা একই সুপার কিংডম ইউক্যারিওটার অন্তর্ভুক্ত কিন্তু অন্যান্য বৈশিষ্ট্যে মিল না থাকায় এদের ভিন্ন ভিন্ন রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ২ : নুজহাতের জন্মদিনে তার বাবা-মাসহ সবাই চায়নিজ রেস্তোরাঁয় গেল। সেখানে তারা চিংড়ি ফ্রাই, মাশরুম মিশ্রিত স্যুপ এবং টমেটো সালাদ খেয়েছিল।

ক. পিঁয়াজের বৈজ্ঞানিক নাম কী?
খ. ঈস্টকে ফানজাই রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে কেন?
গ. নুজহাত যে স্বভোজী জীবটি খেয়েছিল তার বৈশিষ্ট্য তা জীবন পাঠ অধ্যায়ের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
ঘ. কেন এই তিনটি জীব শ্রেণিবিন্যাসের ধাপে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থানে অবস্থান করে বিশ্লেষণ কর।

সমাধান : ক. পিয়াজের বৈজ্ঞানিক নাম Allium cepa.

খ. ঈস্ট এককোষী বা মাইলেসিয়াম দ্বারা গঠিত। উদ্ভিদ অসবুজ, পরজীবী, নিউক্লিয়াস সুগঠিত, কোষপ্রাচীর কাইটিন দিয়ে গঠিত, খাদ্য গ্রহণ শোষণ পদ্ধতিতে করে । অঙ্গজ, অযৌন ও যৌন জনন প্রক্রিয়ায় বংশবৃদ্ধি ঘটে। উক্ত বৈশিষ্ট্যগুলো ফানজাই রাজ্যের বৈশিষ্ট্যের অনুরূপ হওয়ায় ঈস্টকে ফানজাই রাজ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

গ. নুজহাত যে স্বভোজী জীবটি খেয়েছিল তা হলো টমেটো। শ্রেণিবিন্যাসে এটির অবস্থান রাজ্য-৪ : প্লানটি।
নিচে টমেটো উদ্ভিদের রাজ্যগত বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হলো-
i. এরা প্রকৃত নিউক্লিয়াসযুক্ত সালোকসংশ্লেষণকারী উদ্ভিদ।
ii. এদের উন্নত টিস্যুতন্ত্র বিদ্যমান।
iii. এদের ভ্রূণ সৃষ্টি হয় এবং তা থেকে ডিপ্লয়েড পর্যায় শুরু হয়।
iv. এদের যৌন জনন অ্যানাইসোগ্যামাস ধরনের।
v. এরা আর্কিগোনিয়েট ও পুষ্পক উদ্ভিদ।

ঘ. জীবের বৈশিষ্ট্যের পারস্পরিক সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্যের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন জীবকে বিভিন্ন দলে বিভক্তকরণের মাধ্যমে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। মাশরুম বা ব্যাঙের ছাতা রাজ্য-৩ : ফানজাই-এ অবস্থান করার কারণ হলো এরা স্থলজ, মৃতজীবী, মাইসেলিয়াম দিয়ে গঠিত ও এদের কোষপ্রাচীর কাইটিন নির্মিত। এদের মায়োসিসের মাধ্যমে কোষ বিভাজন হয় এবং হ্যাপ্লয়েড স্পোর দিয়ে বংশবৃদ্ধি ঘটে। টমেটো উদ্ভিদ রাজ্য-৪ : প্লানটি-এ অবস্থান করার কারণ হলো এরা সালোকসংশ্লেষণকারী ও এদের দেহে উন্নত টিস্যুতন্ত্র বিদ্যমান। এদের ভ্রূণ সৃষ্টি হয় এবং তা থেকে ডিপ্লয়েড পর্যায় শুরু হয়। এদের যৌন জনন অ্যানাইসোগ্যামাস ধরনের।

এরা আর্কিগোনিয়েট ও পুষ্পক উদ্ভিদ। চিংড়ি বা মৎস্যকুল রাজ্য-৫ : অ্যানিম্যালিয়া এ অবস্থানের কারণ হলো এদের কোষে জড় কোষপ্রাচীর ও প্লাস্টিড নেই। এরা পরভোজী এবং খাদ্য গলাধঃকরণ করে ও হজম করে। এরা প্রধানত যৌন জননের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে এবং পরিণত ডিপ্লয়েড পুরুষ ও স্ত্রী প্রাণীর জননাঙ্গ থেকে হ্যাপ্লয়েড গ্যামেট উৎপন্ন হয়। ভ্রূণ বিকাশকালীন সময়ে ভ্রূণীয় স্তর সৃষ্টি হয়। কাজেই উপযুক্ত বৈশিষ্ট্যগত ভিন্নতার কারণেই নুজহাতের জন্মদিনে চায়নিজ রেস্তোরাঁয় খাওয়া জীব তিনটি শ্রেণিবিন্যাসে তিনটি ভিন্ন রাজ্যে অবস্থান করে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৩ : রাহাত দশম শ্রেণির ছাত্র। জীববিজ্ঞানের ক্লাসে শ্রেণিশিক্ষককে প্রশ্ন করে যে, এই বিশাল জীবজগৎ সম্পর্কে কীভাবে সহজে জানতে পারবে এবং তা মানব কল্যাণে ব্যবহৃত করা যাবে?

ক. ভৌত জীববিজ্ঞান কী?
খ. ফলিত জীববিজ্ঞানের কোন কোন শাখায় জীববিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা পড়তে পারবে?
গ. রাহাতের এই বিশাল জীবজগতের উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানতে শিক্ষক কীভাবে সহায়তা দিলেন ব্যাখ্যা কর।
ঘ. ক্যারোলাস লিনিয়াস মানব কল্যাণে জীবজগৎকে চমৎকার পদ্ধতি আবিষ্কার করেন তা ব্যাখ্যা কর।

সমাধান : ক. জীববিজ্ঞানের যে শাখায় তত্ত্বীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে ভৌত জীববিজ্ঞান বলে।

খ. ফলিত জীববিজ্ঞানের যেসব শাখা জীববিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা পড়তে পারবে। সেগুলো হলো-
i. কীটতত্ত্ব, ii. মৎস্যবিজ্ঞান, iii. পরজীবী বিদ্যা, iv. প্রত্নতত্ত্ববিদ্যা ও V. বন্যপ্রাণিবিদ্যা।

গ. রাহাত এই বিশাল জীবজগৎ সম্পর্কে জানতে চাইলে শিক্ষক তাকে শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতির কথা বলেন। এ সম্পর্কে জীবন পাঠ অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

ঘ. ক্যারোলাস লিনিয়াস মানব কল্যাণে জীবজগৎকে চমৎকার পদ্ধতি আবিষ্কার করেন এ বিষয়ে জীবন পাঠ অধ্যায়ে ব্যাখ্যা করা আছে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৪ : শিক্ষার উপকরণ হিসেবে শিক্ষক ছাত্রছাত্রীর একদলকে প্রাণিকোষ (X) ও আরেক দলকে উদ্ভিদকোষ আর্ট পেপারে এঁকে আনতে বললেন। আরও দুই দলকে তিনি যথাক্রমে শ্রেণিবিন্যাসের রাজ্য প্লানটি (Y) ও অ্যানিমিলিয়া (Z)
সম্পর্কে পোস্টার পেপার তৈরি করতে বললেন।

ক. হিস্টোলজি কী?
খ. সিন্যাপস বলতে কী বোঝ?
গ. উদ্দীপকে নির্দেশিত X-এর চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন কর।
ঘ. উদ্দীপকে নির্দেশিত Y ও Z- র সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য জীবন পাঠ অধ্যায়ের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

সমাধান : ক. জীববিজ্ঞানের যে শাখায় জীবদেহের টিস্যুসমূহের গঠন, বিন্যাস ও কার্যাবলি নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে হিস্টোলজি বলা হয়।

খ. পর পর দুটি নিউরনের প্রথমটির অ্যাক্সন এবং পরেরটির ডেনড্রাইটের মধ্যে যে স্নায়ুসন্ধি গঠিত হয় তাকে সিন্যাপস বলে। এর মাধ্যমে একটি নিউরন থেকে স্নায়ু উদ্দীপনা পরবর্তী নিউরনে প্রবাহিত হয়।

গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত X অংশটি হলো একটি প্রাণিকোষ। প্রাণিকোষের চিহ্নিত চিত্র জীবন পাঠ অধ্যায়ে পাওয়া যাবে।

ঘ. উদ্দীপকের Y হলো প্লান্টি জগৎ এবং Z হলো অ্যানিমেলিয়া জগৎ। প্লান্টি ও অ্যানিমেলিয়া রাজ্যের মধ্যে সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য জীবন পাঠ অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

• (জীবের পরিবেশ) নবম-দশম শ্রেনী : জীববিজ্ঞান ১৩শ অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন-উত্তর
• (জীবপ্রযুক্তি) নবম-দশম শ্রেনী : জীববিজ্ঞান ১৪শ অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন-উত্তর

সৃজনশীল প্রশ্ন ৫ : আসিফ সাহেবের দীর্ঘদিন ধরে কাশি হয়েছে। রাতে ঘাম হয় এবং বিকেলের দিকে জ্বর আসে। কাশির সাথে রক্ত যাওয়ায় ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ডাক্তার বলে, এ রোগটি Mycobacterium tuberculosis নামক জীবাণুর সংক্রমণে হয়েছে।

ক. উপজিহ্বা কী?
খ. শ্বসনে মধ্যচ্ছদার ভূমিকা লেখ।
গ. উদ্দীপকের অণুজীবটি যে রাজ্যের তার বৈশিষ্ট্য জীবন পাঠ অধ্যায়ের আলোকে উল্লেখ কর।
ঘ. আসিফ সাহেবের যে রোগটি হয়েছে তা থেকে আমরা কীভাবে পরিত্রাণ পেতে পারি? জীবন পাঠ অধ্যায়ের আলোকে তোমার মতামত ব্যক্ত কর।

সমাধান : ক. স্বরযন্ত্রের উপরে যে জিহ্বা আকৃতির ঢাকনা থাকে তাকে উপজিহবা বলে।

খ. যে মাংসপেশি বক্ষগহ্বর ও উদর গহ্বরকে পৃথক করে রেখেছে তাকে মধ্যচ্ছদা বলে। প্রসারিত ছাতার মতো দেখতে মধ্যচ্ছদা সংকুচিত হলে নিচের দিকে নামে। তখন বক্ষগহ্বরের আয়তন বাড়ে। এটি প্রসারিত হলে উপরের দিকে উঠে এবং বক্ষগহ্বর সংকুচিত হয়। মধ্যচ্ছদা সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস কাজ সম্পাদন করে।

গ. উদ্দীপকের অণুজীবটি হলো Mycobacterium tuberculosis যা মনেরা রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত। মনেরা রাজ্যের বৈশিষ্ট্যগুলো জীবন পাঠ অধ্যায়ে উল্লেখ করা আছে।

ঘ. আসিফ সাহেবের যক্ষ্মা হয়েছে। যক্ষ্মা রোগের প্রতিকারের উপায়গুলো জীবন পাঠ অধ্যায়ে দেওয়া আছে।

Leave a comment

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More