(কোষ ও এর গঠন) এইচএসসি : জীববিজ্ঞান সৃজনশীল প্রশ্নোত্তর

কোষ ও এর গঠন হচ্ছে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির জীববিজ্ঞান ১ম পত্রের ১ম অধ্যায়। কোষ ও এর গঠন অধ্যায় থেকে সেরা বাছাইকৃত ৭টি সৃজনশীল প্রশ্ন এবং সে প্রশ্নগুলোর উত্তর সম্পর্কে আলোচনা করা হলো-

সৃজনশীল প্রশ্ন ১ : শ্রেণি শিক্ষক ক্লাসে পাঠদান করতে গিয়ে বোর্ডে A এবং B দুটি ক্ষুদ্রাগের চিত্র অংকন করে বললেন, A ক্ষুদ্রাঙ্গটিতে শ্বসনের বিভিন্ন পর্যায় সংঘটিত হয় কিন্তু B ক্ষুদ্রাঙ্গটি একটি বিশেষ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে RNA সংযুক্ত।

ক. স্যাট ক্রোমোসোম কাকে বলে?
খ. অর্ধরক্ষণশীল অনুলিপন বলতে কী বুঝ?
গ. উদ্দীপকে A ক্ষুদ্রাজাটির গঠন ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে B ক্ষুদ্রাঙ্গটির সাথে RNA সংযুক্তির কারণ বিশ্লেষণ করো।

সমাধান : ক. স্যাটেলাইট যুক্ত ক্রেমোজোমকে স্যাট ক্রোমোসোম বলে।

খ. অর্ধসংরক্ষণশীল অনুলিপনে প্রতিটি অপত্য DNA অণুর দুটি সূত্রের মধ্যে একটি মাতৃ DNA অণু থেকে পেয়ে থাকে। এ ধরনের অনুলিপন পদ্ধতিতে মাতৃ DNA-র হাইড্রোজেন বন্ধনী বিলুপ্তির মাধ্যমে সূত্র দুটি পৃথক হয়ে যায় এবং প্রত্যেক সূত্রক ছাঁচ (টেমপ্লেট) হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে পরিপূরক দুটি সূত্রের সংশ্লেষণ ঘটে।

গ. উদ্দীপকের অঙ্গাণুটি হলো মাইটোকন্ড্রিয়ন। মাইটোকন্ড্রিয়ন একটি দ্বিস্তরবিশিষ্ট আবরণী দিয়ে আবৃত থাকে। মেমব্রেনটি লিপোপ্রোটিন বাইলেয়ার প্রকৃতির। বাইরের স্তরটি মসৃণ কিন্তু ভেতরের স্তরটি কেন্দ্রের দিকে অনেক ভাঁজবিশিষ্ট। ভেতরের মেমব্রেনের এ ভাঁজগুলোকে বলা হয় ক্রিস্টি। দুই মেমব্রেনের মাঝখানের ফাঁকা স্থানকে বলা হয় বহিঃস্থ কক্ষ এবং ভেতরের মেমব্রেন দিয়ে আবদ্ধ অঞ্চলকে বলা হয় অভ্যন্তরীণ কক্ষ। উভয় কক্ষে অবস্থান করে তরল বা ম্যাট্রিক্স। ক্রিস্টিতে স্থানে স্থানে ATP সিনথেসিস নামক গোলাকার বস্তু আছে। এতে ATP সংশ্লেষিত হয়। এছাড়া সমস্ত ক্রিস্টিব্যাপী অনেক ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম অবস্থিত। আগে এদেরকে এক সাথে অক্সিসোম হিসেবে অভিহিত করা হতো। মাইটোকন্ড্রিয়নের নিজস্ব বৃত্তাকার DNA. RNA এবং রাইবোজোম রয়েছে।

ঘ. উদ্দীপকের B ক্ষুদ্রাঙ্গটি রাইবোসোম। এর সাথে ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়ায় প্রোটিন উৎপাদনের জন্য RNA সংযুক্ত হয়। নিউক্লিয়াস থেকে নিউক্লিয়ার রন্দ্রপথে সাইটোপ্লাজমে আগত mRNA অণু রাইবোজোমের
সাথে যুক্ত হলে এ প্রক্রিয়া সংঘটিত হয়। রাইবোজোমের দুটি উপ একক থাকে। mRNA অণু না পাওয়া পর্যন্ত রাইবোজোমের উপএকক দুটি পৃথক থাকে। mRNA পাওয়া গেলে ছোট উপএককটি প্রথমে ঐ mRNA-র কোন অংশ প্রোটিন সংশ্লেষ শুরুর ইঙ্গিতবাহী কোডনের অণুক্রম বহনকারী অংশে পৌঁছে যায়। এরপর বড় উপএককটি এসে যুক্ত হয় এবং বড় উপএককের অভ্যন্তরে দুটি বাইন্ডিং সাইট থাকে। এখানে নির্দিষ্ট অ্যামিনো এসিডবাহী IRNA আসে এবং সাময়িকভাবে যুক্ত হয়।

সাইট দুটি হলো P সাইট ও A সাইট IRNA-এর এক প্রান্তে mRNA-র কোডনে যুক্ত হওয়ার উপযোগী অ্যান্টিকোডন এবং অন্য প্রান্তে নির্দিষ্ট অ্যামিনো এসিড যুক্ত থাকে। অ্যামিনো এসিডগুলো প্রোটিন শৃঙ্খল তৈরি করতে করতে সমাপ্তি কোডনে পৌঁছালে আর নতুন অ্যামিনো এসিড যুক্ত হয় না। IRNA অ্যামিনো এসিড ত্যাগ করে রাইবোসোম ছেড়ে সাইটোপ্লাজমে চলে যায়।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, প্রোটিন সংশ্লেষণের জন্যই রাইরোসোমের সাথে RNA সংযুক্ত হয়।

সৃজনশীল প্রশ্ন ২ : ডিমের কুসুমের মতো উদ্ভিদ কোষে একটি কোষীয় অঙ্গাণু বিদ্যমান।

ক. প্রকৃত কোষ কাকে বলে?
খ. ক্লোরোপ্লাস্টের কাজগুলো লিখ।
গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত উদ্ভিদ এর কোষীয় অঙ্গাণুটি হচ্ছে নিউক্লিয়াস। নিউক্লিয়াস এর সচিত্র বর্ণনা করো।
ঘ. উদ্দীপকে নির্দেশিত নিউক্লিয়াসে অবস্থিত সূত্রাকার অঙ্গ বংশগতিতে কিভাবে ভূমিকা রাখে কোষ ও এর গঠন এর আলোকে ব্যাখ্যা করো।

সমাধান : ক. সুগঠিত নিউক্লিয়াসযুক্ত কোষকে বলা হয় প্রকৃত কোষ।

খ. সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে খাদ্য তৈরি করাই হলো ক্লোরোপ্লাস্টের প্রধান কাজ। এটি প্রয়োজনে প্রোটিন ও নিউক্লিক অ্যাসিড তৈরি করে। ক্লোরোপ্লাস্ট সূর্যালোক দিয়ে ADP-কে ATP-তে রূপান্তর করে। এরা ফটোরেসপিরেশন করে এবং সাইটোপ্লাজমিক ইনহেরিটেন্সে সাহায্য করে।

গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত ডিমের কুসুমের মতো উদ্ভিদ কোষে প্রাপ্ত অঙ্গানুটি হলো নিউক্লিয়াস। কোষ ও এর গঠন অধ্যায়ে নিউক্লিয়াসের সচিত্র বর্ণনা করা আছে।

ঘ. উদ্দীপকে উল্লেখিত কোষীয় অঙ্গাণুটি হলো নিউক্লিয়াস। নিউক্লিয়াসে অবস্থিত সূত্রাকার অঙ্গটি হলো ক্রোমোজম। এ সম্পর্কে কোষ ও এর গঠন অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৩ : উদ্ভিদ ও প্রাণি উভয় কোষের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু রয়েছে যা কোষের যাবতীয় কাজের জন্য শক্তি উৎপাদন করে।

ক. ট্রান্সক্রিপশন কী?
খ. হেপাটিক সাইজোগনি বলতে কী বুঝ?
গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত কোষ অঙ্গাণুটির চিহ্নিত চিত্রসহ গঠন বর্ণনা করো।
ঘ. জীবের জীবনে উদ্দীপকে নির্দেশিত অঙ্গাণুটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে—বিশ্লেষণ করো।

সমাধান : ক. DNA অণুতে গ্রথিত রাসায়নিক তথ্যগুলোকে RNA অণুতে কপি করার প্রক্রিয়াকে বলা হয় ট্রান্সক্রিপশন।

খ. মানুষের যকৃত কোষে সংঘটিত ম্যালেরিয়ার পরজীবির বহুবিভাজন প্রক্রিয়ায় অযৌন জননকে হেপাটিক সাইজোগনি বলে। স্পোরোজয়েট দশার পরিণত জীবাণু মশকীর দংশনের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে এবং প্রি-এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনিও এক্সে-এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনির মাধ্যমে হেপাটিক সাইজোগনির সমাপ্তি ঘটে।

গ. উদ্দীপকের অঙ্গাণুটি হলো মাইটোকন্ড্রিয়ান। মাইটোকন্ড্রিয়ান এর চিহ্নিত চিত্র কোষ ও এর গঠন অধ্যায়ে বর্ণনা করা আছে।

ঘ. উদ্দীপকের অঙ্গাণুটি হলো মাইটোকন্ড্রিয়া। মাইটোকন্ড্রিয়া সম্পর্কে কোষ ও এর গঠন অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৪ : উদ্ভিদ বিজ্ঞানের শিক্ষক ক্লাশে কোষের বিভিন্ন অঙ্গাণু সম্পর্কে আলোচনা করেন। এর মধ্যে দুটি অঙ্গাণু নিয়ে তিনি বিস্তারিত আলোচনা করেন ও বোর্ডে চিত্র অংকণ করেন। যার একটি উদ্ভিদের দেহে বর্ণ সৃষ্টি করে এবং অপরটি শ্বসন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ক. টনোপ্লাস্ট কী?
খ. লাইসোজোমকে আত্মঘাতি থলিকা বলা হয় কেন?
গ. শিক্ষক প্রথমে যে অঙ্গাণুটি নিয়ে আলোচনা করেন তার গঠন লিখ।
ঘ. শিক্ষকের আলোচিত দুটি অঙ্গাণুর গঠন ও কাজের মাঝে তুলনা করো।

ক. প্রোটোপ্লাজম দিয়ে গঠিত যে পাতলা পর্দা কোষ গহ্বরকে বেষ্টন করে রাখে তাকে টনোপ্লাষ্ট বলে।

খ. লাইসোজোমের স্ব-গ্রাস মূলত বিশেষ ধরনের অটোলাইসিস। প্রতিকূল পরিবেশে কোনো কোনো উপবাসী কোষে রাইবোসোম, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের অংশবিশেষ একত্রিত হয়ে মেমব্রেন বেষ্টিত একটি গহ্বর গঠন করে। এ গহ্বর পরে লাইসোজোমের সাথে মিশে একটি অটোফেজিক গহ্বর-এ পরিণত হলে উক্ত বস্তুগুলো পরিপাক হয়ে যায়। এর ফলে অনেক সময় সম্পূর্ণ কোষটি পরিপাক হয়ে যায় বলে বিজ্ঞানী De duve লাইসোজোমকে কোষের আত্মঘাতী থলিকা বলে আখ্যায়িত করেছেন।

গ. উদ্দীপকে শিক্ষক প্রথমে যে অঙ্গাণুটি নিয়ে আলোচনা করেন সেটি ক্লোরোপ্লাস্ট। ক্লোরোপ্লাস্ট এর গঠন কোষ ও এর গঠন অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

ঘ. উদ্দীপকে শিক্ষকের আলোচিত অঙ্গাণু দুটি যথাক্রমে ক্লোরোপ্লাস্ট এবং মাইটোকন্ড্রিয়া। ক্লোরোপ্লাস্ট ও মাইটোকন্ড্রিয়া এর গঠন ও কাজ কোষ ও এর গঠন অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৫ : জীবকোষের দুই ধরনের নিউক্লিক এসিড থাকে যা N2 ঘটিত ক্ষারক, পেন্টোজ শ্যুগার এবং ফসফোরিক এসিডের সমন্বয়ে গঠিত। এক ধরনের নিউক্লিক এসিড বংশগতির ধারক ও বাহক হিসেবে কাজ করে এবং অপরটির প্রধান কাজ হচ্ছে প্রোটিন সংশ্লেষণ করা।

ক. প্লাজমামেমব্রেন কী?
খ. লাইসোজোমকে আত্মঘাতী থলিকা বলা হয় কেন?
গ. প্রোটিন সংশ্লেষে সাহায্যকারী নিউক্লিক এসিডটির প্রকারভেদ লিখ।
ঘ. বংশগতির ধারক ও বাহক হিসেবে পরিচিত হচ্ছে নিউক্লিক এসিড। আর এই নিউক্লিক এসিডটির নাম লিখ এবং এর গঠনের উপর সর্বজন স্বীকৃত মডেলটি কোষ ও এর গঠন এর আলোকে ব্যাখ্যা করো।

সমাধান : ক. প্রোটোপ্লাজমস্থ সূক্ষ, স্থিতিস্থাপক, বৈষম্যভেদ্য, লিপো-প্রোটিন দ্বারা গঠিত সজীব ঝিল্লিই হলো প্লাজমামেমব্রেন।

খ. তীব্র খাদ্যাভাবের সময় লাইসোসোমের প্রাচীর ফেটে যায় এবং আবদ্ধকৃত এনজাইম বের হয়ে কোষের অন্যান্য অঙ্গাণুকে বিনষ্ট করে দেয়। এভাবে সমস্ত কোষটিও পরিপাক হয়ে যেতে পারে। তাই লাইসোসোমকে আত্মঘাতী থলিকা বলা হয়। এবং এই প্রক্রিয়াটিকে অটোলাইসিস বলে।

গ. উদ্দীপকে প্রোটিন সংশ্লেষে সাহায্যকারী নিউক্লিক এসডটি হলো RNA. RNA এর প্রকারভেদ কোষ ও এর গঠন অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

ঘ. উদ্দীপকে বংশগতির ধারক ও বাহক হিসেবে পরিচিত নিউক্লিক এসিডটির নাম- ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড বা DNA.
DNA গঠনে সর্বজন স্বীকৃত মডেলটি হলো ওয়াটসন ও ক্রীক প্রদত্ত ডাবল হেলিক্স মডেল। মডেলটির ব্যাখ্যা কোষ ও এর গঠন অধ্যায়ে দেওয়া আছে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৬ : জীববিজ্ঞান ক্লাসে শিক্ষক একটি অঙ্গাণুর কথা উল্লেখ করলেন। যাতে দ্বিস্তরী এবং স্তূপাকৃতি রৌপ্য মুদ্রার মতো স্তূপ রয়েছে। যার উপস্থিতিতে উদ্ভিদ নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে।

ক. কোষ কী?
খ. নিউক্লিয়াসকে কোষের প্রাণকেন্দ্র বলা হয় কেন?
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গাণুটির চিহ্নিত চিত্ৰ দাও।
ঘ. উক্ত অঙ্গাণুটি পরিবেশের ভারসাম্য ও জীবকূলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে মন্তব্য করো।

সমাধান : ক. জীবদেহের গঠন ও কাজের একক হলো কোষ।

খ. নিউক্লিয়াসকে কোষের প্রাণকেন্দ্র বলা হয় কারণ এটি জীবকোষের যাবতীয় কার্যাবলি যেমন- পুষ্টি, বিপাক, বৃদ্ধি, রেচন, জনন, বংশগতি প্রভৃতি নিয়ন্ত্রণ করে। এটি বিভিন্ন প্রকার প্রোটিন, এনজাইম, কো এনজাইম, হরমোন প্রভৃতি সংশ্লেষ করে এবং জীবকোষের বিভিন্ন প্রাণ রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সরাসরি অংশগ্রহণ করে। ফলে এনজাইম ঘটিত বিক্রিয়াগুলো সরাসরি নিউক্লিয়াসের সক্রিয়তার ওপর নির্ভরশীল।

গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত অঙ্গাণুটি হলো ক্লোরোপ্লাস্ট। ক্লোরোপ্লাস্টের চিহ্নিত চিত্র কোষ ও এর গঠন অধ্যায়ে দেওয়া আছে।

ঘ. উদ্দীপকে উল্লেখিত অঙ্গাণুটি হলো ক্লোরোপ্লাস্ট। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ও জীবকূলে ক্লোরোপ্লাস্টের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা কোষ ও এর গঠন আলোচনা করা আছে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৭ : জীবকোষে দ্বিসূত্রক, প্যাচানো সিড়ির মতো এক প্রকার রাসায়নিক উপাদান থাকে যা কোষের সব ধরনের বিপাকীয় প্রক্রিয়া এবং বৈশিষ্ট্যসমূহকে নিয়ন্ত্রণ করে।

ক. কাইনেটোকোর কী?
খ. জেনেটিক কোড বলতে কী বুঝ?
গ. উদ্দীপকের উপাদানটির গাঠনিক একক এর উপাদানগুলোর রাসায়নিক সংকেত লিখ।
ঘ. উদ্দীপকের শেষাংশের যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

সমাধান : ক. কাইনেটোকোর হলো সেন্ট্রোমিয়ারের প্রোটিন নির্মিত অঞ্চল যা কোষ বিভাজনের সময় স্পিন্ডল তন্তুর সঙ্গে যুক্ত হয়।

খ. DNA অণুর নাইট্রোজেন বেস সিকুয়েন্স ও পলিপেপটাইড শৃঙ্খলের অ্যামিনো অ্যাসিডের ক্রমের মধ্যে যে সাংকেতিক সম্পর্ক তাই হলো জেনেটিক কোড। জেনেটিক কোডের মাধ্যমে জীবের বৈশিষ্ট্য এক বংশধর থেকে পরবর্তী বংশধর-এ স্থানান্তর হয়ে থাকে। DNA অণুতে পাশাপাশি অবস্থিত তিনটি নাইট্রোজেন বেস মিলিতভাবে একটি জেনেটিক কোড তৈরি করে।

গ. উদ্দীপকের উপাদানটি DNA. DNA-র গাঠনিক একক হলো নিউক্লিওটাইড, নিউক্লিওটাইড এর উপাদানগুলোর রাসায়নিক সংকেত কোষ ও এর গঠন অধ্যায়ে দেওয়া আছে।

ঘ. উদ্দীপকের রাসায়নিক উপাদানটি মূলত DNA. DNA সম্পর্কে কোষ ও এর গঠন অধ্যায়ে বিশ্লেষণ করা আছে।

Leave a comment

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More