(উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব) এইচএসসি : জীববিজ্ঞান সৃজনশীল প্রশ্নোত্তর

উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব হচ্ছে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির জীববিজ্ঞান ১ম পত্রের ৯ম অধ্যায়। উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব অধ্যায় থেকে সেরা বাছাইকৃত ৫টি সৃজনশীল প্রশ্ন এবং সে প্রশ্নগুলোর উত্তর সম্পর্কে আলোচনা করা হলো-

সৃজনশীল প্রশ্ন ১ : করিম গ্রীষ্মের ছুটিতে তার বন্ধুদের নিয়ে গ্রামের বাড়ীতে বেড়াতে গিয়েছিল। জ্যোস্না রাতে তারা বন্ধুদের নিয়ে আম গাছের নিচে গল্প করেছিল। হঠাৎ লক্ষ্য করল যে, খোলা জায়গা থেকে গাছের নিচে বেশি গরম লাগছে। বাড়ীতে ফিরে শিক্ষকের কাছে এর কারণ জানতে চাইলে শিক্ষক বলেন, রাতে গাছ CO2 বের করে তাই এরূপ হয়েছে।
ক. ETS কী?
খ. লবণ পরিশোষণ বলতে কী বোঝ?
গ. শিক্ষক যে প্রক্রিয়ার কথা উল্লেখ করল সেটি কীভাবে প্রভাবক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে- তা উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব অধ্যায়ের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
ঘ. অক্সিজেনের উপস্থিতি অনুপস্থিতির ভিত্তিতে উপরোক্ত প্রক্রিয়ার কোন ভিন্নতা আসে কিনা ব্যাখ্যা করো।

সমাধান : ক. সবাত শ্বসনের যে অংশে NADPH + H+, FADH2 হতে ইলেকট্রন কতগুলো বাহকের মাধ্যমে স্থানান্তরিত হয় এবং ইলেকট্রনের এই স্থানান্তরকালে ATP তৈরি ও সবশেষে H2O উৎপন্ন করাই হচ্ছে ETS বা ইলেকট্রন প্রবাহতন্ত্র।

খ. উদ্ভিদের মূলের অগ্রভাগের কোষ বিভাজন অঞ্চলের নবগঠিত কোষগুলোই লবণ পরিশোষণের অঙ্গ। কঠিন অবস্থায় উদ্ভিদ কোনো পদার্থ শোষণ করতে পারে না। মাটিস্থ পানিতে দ্রবীভূত লবণের ঘনত্ব মূলস্থ কোষরসের ঘনত্ব অপেক্ষা অনেক কম। উদ্ভিদ ঘনত্বের আনতি এর বিরুদ্ধে লবণ শোষণ করে। খনিজ লবণগুলো মাটিস্থ পানিতে দ্রবীভূত হয়ে ক্যাটায়ন ও অ্যানায়ন-এ বিভক্ত থাকে এবং উদ্ভিদের তা আয়ন হিসেবে পরিশোষণ করার প্রক্রিয়াই লবণ পরিশোষণ।

গ. উদ্দীপকে শিক্ষক শ্বসন প্রক্রিয়া সম্বন্ধে ধারণা দিয়েছেন। এই প্রক্রিয়াটি বিভিন্ন প্রভাবক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
শ্বসন ক্রিয়া অনেকগুলো রাসায়নিক ক্রিয়ার সমষ্টি। রাসায়নিক বিক্রিয়াগুলোর হার বিভিন্ন উৎসেচক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। উৎসেচকের কার্যকারিতা তাপমাত্রার উপর নির্ভরশীল। তাপমাত্রার হ্রাস-বৃদ্ধি হলে শ্বসনের হারেরও হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে। তাপমাত্রা বাড়লে শ্বসনের হার বাড়ে, কমলে তাপমাত্রা কমে। সবাত শ্বসনে পাইরুভিক এসিড সম্পূর্ণ জারিত হয়ে CO2 ও H2O উৎপন্ন করে।
সবাত শ্বসনের কার্যকলাপ অক্সিজেন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় এটি শ্বসনেরও হার নিয়ন্ত্রণ করে। শ্বসনকার্যে আলোর প্রয়োজন পড়ে না।

দিনের বেলায় আলোর উপস্থিতিতে পত্ররন্ধ্র খোলা থাকায় O2 গ্রহণ ও CO2 ত্যাগ করা সহজ হয় বলে শ্বসনের হার বেড়ে যায়। CO2 এর ঘনত্ব বেড়ে গেলে শ্বসনের হার কমে যায়। বিভিন্ন উৎসেচকের অংশগ্রহণের উপর শ্বসনের হার নির্ভরশীল। সজীব কোষে শ্বসনের হার বেশি থাকে। কোষে প্রয়োজনীয় পানির অভাব হলে শ্বসনের হার কমে যায়। NaCl, KCI, CaCl2 ইত্যাদি অজৈব লবণের সরবরাহ ঘটিয়ে শ্বসনের হার বৃদ্ধি করা যায়।

ঘ. উদ্দীপকের প্রক্রিয়াটি হলো শ্বসন প্রক্রিয়া। অক্সিজেনের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির ভিত্তিতে শ্বসনপ্রক্রিয়ায় ভিন্নতা আসে। অক্সিজেনের উপস্থিতিতে যে শ্বসন ঘটে তাকে সবাত শ্বসন বলে। আবার অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে যে শ্বসন ঘটে তা হলো অবাত অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে যে শ্বসন ঘটে তা হলো অবাত শ্বসন।
সবাত শ্বসন প্রক্রিয়ায় পাইরুভিক এসিড সম্পূর্ণরূপে জারিত হয়। কিন্তু অবাত শ্বসনে পাইরুভিক এসিড অসম্পূর্ণভাবে জারিত হয়।

সবাত শ্বসনে অধিক পরিমাণ CO2 উৎপন্ন হলেও অবাত শ্বসনে অল্প পরিমাণ CO2 উৎপন্ন হয় অথবা আদৌ হয় না। সবাত শ্বসনে H2O উৎপন্ন হয়, কিন্তু অবাত শ্বসনে কোনো পানি উৎপন্ন হয় না। সবাত শ্বসনে অ্যালকোহল বা ল্যাকটিক এসিড উৎপন্ন না হলেও অবাত শ্বসনে তা উৎপন্ন হয়। শুধু তাই নয় সবাত শ্বসনে ATP আকারে ৩৮০ কিলোক্যালরি শক্তি পাওয়া গেলেও অবাত শ্বসনে ATP আকারে মাত্র ২০ কিলোক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়। রাসায়নিক বিক্রিয়াতেও এ দুধরনের শ্বসন ক্রিয়ায় ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়।
সবাত শ্বসন: C6H12O6 + 6H2O + 602 → 6CO2 + 12H2O + ৬৮৬ কি. ক্যা. শক্তি ।
অবাত শ্বসন: C6H12O6→2C2H5OH + 2CO2 + ২০ কি.ক্যা. শক্তি। অতএব উপর্যুক্ত আলোচনা হতে বলা যায় যে, অক্সিজেনের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতিতে শ্বসনে ভিন্নতা আসে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ২ : উদ্ভিদে খাদ্য তৈরি একটি প্রক্রিয়া, যা আলো ও অন্ধকার দুই মাধ্যমেই হয়। বিজ্ঞানীরা বলেছেন উদ্ভিদে শর্করা উৎপাদন প্রক্রিয়ার অন্ধকার পর্যায়ে তিনটি পথ রয়েছে। এদের মধ্যে X চক্রপথে CO2 এর গ্রাহক হলো রাইবুলোজ ১,৫ বিসফসফেট, Y চক্রপথের CO2 এর গ্রাহক ফসফোইনোল পাইরুভিক এসিড এবং Z পথটি হলো CAM। ‘Y’ উদ্ভিদ বিশেষ ধরনের অভিযোজনের জন্য অধিক তাপমাত্রায় CO2 বিজারণে সক্ষম। এই অভিযোজনগত বৈশিষ্ট্যের জন্য উক্ত উদ্ভিদটি আত্তীকরণের ক্ষেত্রে উন্নত।
ক. রোগের সুপ্তাবস্থা কাকে বলে?
খ. সাইটোক্রোম পাম্প মতবাদ বলতে কী বুঝ?
গ. উদ্দীপকের Y উদ্ভিদের CO2 বিজারণের গতিপথ রেখা চিত্রের সাহায্যে দেখাও।
ঘ. উদ্দীপকে চিত্র X ও Y উদ্ভিদের মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা সাপেক্ষে কোনটি বেশি কার্যকর তা উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব অধ্যায়ের আলোকে ব্যাখ্যা পূর্বক বিশ্লেষণ করো।

সমাধান : ক. মানবদেহে পরজীবী প্রবেশের পর থেকে রোগের লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সময়ই রোগের সুপ্তাবস্থা।

খ. লুনডেগার্ডের মতানুযায়ী অ্যানায়ন পরিশোষণ প্রকৃতপক্ষে সাইটোক্রোম সিস্টেম এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে। লুনডেগার্ডের মতে ভেতরের তলে ডিহাইড্রোজিনেজ বিক্রিয়ার ফলে প্রোটন (H+) এবং ইলেকট্রন (e-) সৃষ্টি হয়। ইলেকট্রনটি সাইটোক্রোম চেইনের মাধ্যমে বাইরের দিকে চলে আসে এবং O2 এর সাথে মিলে প্রোটন সহযোগে পানি তৈরি করে। এর ফলে বাইরের তলে সাইটোক্রোমের বিজারিত লৌহ ইলেকট্রন হারিয়ে জারিত হয় এবং একটি অ্যানায়ন গ্রহণ করে।

গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত উদ্ভিদ হলো C4. C4 উদ্ভিদে CO2 বিজারণের জন্য হ্যাচ ও স্ন্যাক চক্র বা C4 চক্র সংঘটিত হয়। C4 চক্র বা হ্যাচ-স্ন্যাক গতিপথের চিত্র উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব অধ্যায়ে দেওয়া আছে।

ঘ. উদ্দীপকে উল্লেখিত X ও Y উদ্ভিদ হলো যথাক্রমে C3 ও C4 উদ্ভিদ। এ সম্পর্কে উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৩ : জীবকোষে জটিল জৈব যৌগ রাসায়নিক শক্তি (স্থিতিশক্তি) হিসেবে খাদ্যে জমা থাকে, যা এনজাইম দ্বারা ধাপে ধাপে পরিবর্তিত হয়ে গতিশক্তি রূপে নির্গত হয়।
ক. লেন্টিকুলার প্রস্বেদন কী?
খ. Kranz Anatomy বলতে কি বুঝ?
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত যে ধাপটির বিক্রিয়াসমূহ সাইটোসলে সম্পন্ন হয় তার রেখাচিত্র উপস্থাপন করো।
ঘ. এ জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ার যে ধাপটিতে উৎপন্ন কয়েকটি অ্যাসিডে তিনটি কার্বক্সিল গ্রুপ বিদ্যমান থাকে তার প্রথম ৫টি বিক্রিয়া বিশ্লেষণ করো।

সমাধান : ক. লেন্টিসেলের মধ্য দিয়ে সংঘটিত প্রস্বেদনই লেন্টিকুলার প্রস্বেদন।

খ. C4 উদ্ভিদের পাতার অন্তর্গঠনে পরিবহন টিস্যুর চারদিকে বান্ডলসীথ এবং একে ঘিরে মেসোফিল টিস্যুর বিন্যাসই হলো Kranz Anatomy | বান্ডলসীথ কোষে CO2 এর অভাব হয় না। Kranz Anatomy-এর জন্য C4 উদ্ভিদে কার্বন বিজারণ হার অধিক হয়।

গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়াটির নাম শ্বসন। শ্বসনের গ্লাইকোলাইসিস ধাপটি সাইটোসলে সংঘটিত হয়ে থাকে। গ্লাইকোলাইসিসে সংঘটিত বিক্রিয়াসমূহ রেখা চিত্র উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব অধ্যায়ে দেওয়া আছে।

ঘ. উদ্দীপকে শ্বসনের দ্বিতীয় ধাপ ক্রেবস চক্রকে নির্দেশ করা হয়েছে। ক্রেবস চক্রের অপর নাম ট্রাইকার্বক্সিলিক এসিড চক্র। ট্রাইকার্বক্সিলিক এসিডের ৫টি বিক্রিয়া উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব অধ্যায়ে বিশ্লেষণ করা আছে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৪ : উদ্ভিদের তৈরীকৃত খাদ্য সবাত শ্বসনের বিভিন্ন ধাপে জারিত হয়ে NADH + H+, FADH2 তৈরি করে যাহা একটি বিশেষ ধাপের মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত ATP ও H2O উৎপন্ন করে। অবশ্য অক্সিজেন ছাড়া বিশেষ ধাপটি আদৌ ঘটানো সম্ভব নয়।
ক. ফটোরেসপিরেশন কী?
খ. C3 ও C4 উদ্ভিদের মধ্যে পার্থক্য লেখো।
গ. উদ্দীপকের বিশেষ ধাপটি উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব অধ্যায়ের আলোকে বর্ণনা করো।
ঘ. উদ্দীপকের শেষের উক্তিটি উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব অধ্যায়ের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

সমাধান : ক. আলোর সাহায্যে O2 গ্রহণ ও CO2 ত্যাগ করার প্রক্রিয়ায় হলো ফটোরেসপিরেশন।

খ. C3 ও C4 উদ্ভিদের মধ্যে পার্থক্য দেয়া হল:
• C3 উদ্ভিদ :
১. C3 উদ্ভিদ উচ্চ তাপমাত্রায় খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম নয়।
২. C3 উদ্ভিদের পাতার মাণ্ডলসীথকে ঘিরে মেসোফিল কোষের কোনো পৃথক স্তর থাকে না।

• C4 উদ্ভিদ :
১. C4 উদ্ভিদ উচ্চ তাপমাত্রায় খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম।
২. C4 উদ্ভিদের পাতার বান্ডলসীথকে ঘিরে অলীয়ভাবে সজ্জিত মেসোফিল মেসোফিল কোষের ঘনস্তরে বিদ্যমান থাকে।

গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রক্রিয়াটি হলো ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট চেইন। এ সম্পর্কে উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব অধ্যায়ে আলোচনা করা আছে।

ঘ. উদ্দীপকের শেষোক্ত উক্তিটি হলো, অক্সিজেন ছাড়া ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট প্রক্রিয়াটি আদৌ ঘটানো সম্ভব নয়। এ সম্পর্কে উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব অধ্যায়ে বিশ্লেষণ করা আছে।

— ৪র্থ অধ্যায় : অণুজীব
— ৫ম অধ্যায় : শৈবাল ও ছত্রাক
— ৬ষ্ঠ অধ্যায় : ব্রায়োফাইটা ও টেরোডোফাইটা

সৃজনশীল প্রশ্ন ৫ : বিপাকীয় শক্তির উপস্থিতি কিংবা অনুপস্থিতিতে উদ্ভিদের খনিজ লবণ পরিশোষণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এ সংক্রান্ত একটি মতবাদে শক্তি ও সাইটোক্রোম চেইনের উপস্থিতি প্রয়োজন হয়।
ক. ATP এর পূর্ণরূপ কী?
খ. উদ্ভিদের অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান বলতে কী বোঝ?
গ. উদ্দীপকের উল্লিখিত মতবাদটি উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব অধ্যায়ের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রক্রিয়াটির প্রভাবকসমূহ বিশ্লেষণ করো।

সমাধান : ক. ATP এর পূর্ণরূপ হলো Adenosine tri phosphate.

খ. উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, গঠন, জীবনধারণ ও প্রজননের জন্য কতকগুলো মৌলিক অজৈব উপাদানের প্রয়োজন হয়। এরূপ ১৬টি অত্যাবশ্যকীয় উপাদানকে একত্রে উদ্ভিদের অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান বলে।

গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত উদ্ভিদের খনিজ লবণ পরিশোষণে লুনডোগড়ের মতবাদের কথা বলা হয়েছে। এ সম্পর্কে উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব অধ্যায়ে ব্যাখ্যা করা আছে।

ঘ. উদ্দীপকে উল্লেখিত উদ্ভিদের খনিজ লবণ পরিশোষণ প্রক্রিয়ার কথা বলা হয়েছে। উক্ত প্রক্রিয়ার প্রভাবকসমূহ উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব অধ্যায়ে বিশ্লেষণ করা আছে।

Leave a comment

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More